ফেনী প্রতিনিধি: আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীর অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ফেনীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নারীর প্রতিনিধিত্ব: প্রত্যাশা ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক। শনিবার সকালে ফেনী শহরের একটি মিলনায়তনে বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের আয়োজনে এবং দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক ফেনীর সভাপতি জাহানারা বেগমের সভাপতিত্বে এবং জোহরা আক্তার রুমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, নারী সংগঠন ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
আলোচনায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী হাবিবুল্লাহ মানিক, সুজন ফেনী জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাদাত হোসেন, জেলা জামায়াতে ইসলামীর প্রচার সম্পাদক আ ন ম আবদুর রহিম, পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি) ফেনীর কো-অর্ডিনেটর লায়ন প্রভাষক মোর্শেদ হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফেনী জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা একরামুল হক ভূঁইয়া, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ফেনী জেলা সদস্য সচিব শাহ ওয়ালী উল্ল্যাহ মানিক, জাসদ (রব) ফেনী জেলা সাধারণ সম্পাদক সামছুদ্দিন মজুমদার চাচ্ছু, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহ আলম বাদল এবং ফেনী জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস মিতা।
এছাড়া বক্তব্য দেন বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক কক্সবাজার জেলা সভাপতি হেলেনাজ তাহের, চাঁদপুর জেলা সভাপতি হাসিনা আক্তার, কুমিল্লা জেলা সভাপতি শাহানা হক, চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সদস্য সোমা মুৎসুদ্দী, সাংবাদিক আবু তাহের ভূঁইয়া, আতিয়ার সজল, শফি উল্ল্যাহ রিপন, অ্যাডভোকেট শামছুন নাহার রুপালী, নাজমুন নাহার নুপুর, নওরিন তাসনিম, শিক্ষিকা শাহিনা আক্তার শাহিন, ছায়েরা বেগম, মাজেদা আক্তার নিশি, খতিজা আক্তার সুমি, রাজিয়া সুলতানা, নওরিন তাসনিয়া খান ও ওমর ফারুক।
বক্তারা বলেন, স্থানীয় সরকারসহ সব পর্যায়ের নির্বাচনে নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলগুলোকে পরিবারতন্ত্রের বাইরে এসে যোগ্য ও দক্ষ নারী নেতৃত্বকে মূল্যায়ন করতে হবে। তারা বলেন, নারীরা এখন শিক্ষা ও বিভিন্ন পেশায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছেন। এই অগ্রগতি রাজনৈতিক নেতৃত্বেও প্রতিফলিত হওয়া প্রয়োজন।
তারা আরও বলেন, নারীরা যেন যোগ্যতার ভিত্তিতে নেতৃত্বের অবস্থানে পৌঁছাতে পারেন, সে জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছার পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা, আইনের কার্যকর প্রয়োগ এবং রাষ্ট্রীয় সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি। নারীর নিরাপত্তা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত হলে স্থানীয় সরকারে তাদের প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী হবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।















