• Home
  • দেশ
  • সিরাজদিখানে সুদের টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে হামলার অভিযোগ, সংঘর্ষে জড়িয়ে আহত কয়েকজন
Image

সিরাজদিখানে সুদের টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে হামলার অভিযোগ, সংঘর্ষে জড়িয়ে আহত কয়েকজন

লতা মন্ডল-সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি : মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় ধার নেওয়া টাকা ও সুদের লেনদেনকে কেন্দ্র করে হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কযেকজন আহত হযে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। শুক্রবার রাতে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে সিরাজদিখান থানায় লিখিত অবিযোগ করা হযেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুলাই ২০২৬ শুক্রবার দুপুর প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার কোলা ইউনিযসের নন্দনকোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত পক্ষের অভিযোগ, প্রায় পাঁচ বছর আগে আনসার আলী দেওয়ানের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ধার নেওয়া হযেছিল। পরে সুদসহ মোট ৮০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হলেও আরও ১৪ হাজার টাকা দাবি করা হয়। ওই টাকা পরে পরিশোধ করা হবে বলে জানালে বিবাদীদের সঙ্গে বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিরোধটি বড় আকার ধারণ করলে দুই পরিবারের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কালিকচ্ছ বাজার এলাকায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এ সময় আনসার আলী দেওয়ান, মো. রিয়াদ, মোহাম্মদ রিফাত, মো. আসিফ (২৮), মোহাম্মদ সাকিবসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জন দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড ও কাঠের লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। এতে মোঃ আল আমিন (৩৫) , রহিমা বেগম (৬০),শিশির শীলা(২৮),সখিনা বেগম,তুয়াসিন (২০),মেহেদী,মাহি (২১)সহ কয়েকজন আহত হন। আহতদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্যও জন্য তাদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাদেরকে পাওয়া যায়নি।

সিরাজদিখান থানা অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আলাউদ্দিন বলেন, গতকাল শুক্রবার রাত ১০ টায় লিখিত অবিযোগ টায় হয়েছে সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওযা হবে।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পক্ষ আইনগত প্রতিকার চেযে সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ দায়রের মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »