• Home
  • দেশ
  • গভীর রাতে দুর্বৃত্তদের আগুন

    সিংড়ায় স্কুল দপ্তরীর আড়াই লাখ টাকার ৪টি খড়ের পালা পুড়ে ছাই
Image

গভীর রাতে দুর্বৃত্তদের আগুন

সিংড়ায় স্কুল দপ্তরীর আড়াই লাখ টাকার ৪টি খড়ের পালা পুড়ে ছাই

রাকিবুল ইসলাম, সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি: নাটোরের সিংড়ায় এক স্কুল দপ্তরীর ৪টি খড়ের পালায় আগুন দিয়েছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। আগুনে মুহূর্তেই ভস্মীভূত হয়ে গেছে বিপুল পরিমাণ খড়। এতে ভুক্তভোগী পরিবারের প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) আনুমানিক রাত ৩টার দিকে উপজেলার ডাহিয়া ইউনিয়নের আয়েশ গ্রামের পশ্চিম পাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগীর নাম মোঃ মিন্টু আকন্দ। তিনি আয়েশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী পদে কর্মরত আছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে হঠাৎ খড়ের পালায় আগুন দেখে পুরো পাড়ার লোকজন আতঙ্কিত হয়ে জেগে ওঠেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের তীব্রতা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবেশীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং মটর পাইপের সাহায্যে পানি দিয়ে আগুন নেভানোর আপ্রাণ চেষ্টা শুরু করেন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও ততক্ষণে ৪টি খড়ের পালার মধ্যে ৩টিই সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কোনো রকমে কেবল ১টি পালা রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত মিন্টু আকন্দের প্রতিবেশী ও গ্রাম্য চিকিৎসক হাবিবুর রহমান জানান, “আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই ৩টি খড়ের পালা পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল। সে কারণে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের আর খবর দেওয়া হয়নি। বাকি একটি পালার আগুন আমরা নিজেরাই স্থানীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেছি এবং সফল হয়েছি।”

স্কুল দপ্তরী মিন্টু আকন্দ কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “কিছুদিন আগেই খড় ব্যবসায়িরা আমার এই ৪টি পালার দাম দিতে চেয়েছিল ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। আমি আরও একটু ভালো দামের আশায় তখন বিক্রি করিনি। এর মধ্যেই আমার এমন সর্বনাশ হয়ে গেল, আমি এটা মেনে নিতে পারছি না। আমি এই অন্যায়ের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।”

এ বিষয়ে সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে এখনও থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »