মোঃ কামরুল ইসলাম কামু পঞ্চগড় প্রতিনিধি\ ইসলামী ব্যাংককে দলীয় করণের প্রতিবাদে ও চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের অপসারন এবং ব্যাংকটির পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার দাবিতে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক সমাজের ব্যাণারে পঞ্চগড়-বাংলাবান্ধা মহাসড়কের পাশে ও ইসলামী ব্যাংক পঞ্চগড় শাখা সংলগ্ন ঘন্টাব্যাপি এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমরা ইসলামী ব্যাংকে টাকা রেখেছি সেই টাকা কি নিরাপদ, সেই টাকা কি ফেরত পাবো। আমরা নিশ্চয়তা পাচ্ছি না। আপনাদের ব্যাংকের টাকার প্রতি এতো লোভ কেনো! আপনারা নিজের টাকায় ব্যবসা করতে পাররেন না। ফ্যাসিস্ট হাসিনা ২০০৯ সালে এদেশের ক্ষমতার মসনদে বসলো তখন সেই ব্যাংক খেকো জয়নুল হক শিকদার তাকে বসিয়ে ন্যাশনাল বাংকের ৭০ হাজার কোটি টাকা লোপাট করে ব্যাংকটিকে ধ্বংস করলেন। আইএফসি সি ব্যাংক থেকে এক হাজার কোটি লোপাট করলেন। তার বিনিময়ে হাসিনা সরকার তাকে পুরষ্কৃত করলেন। আমরা যদি ১৯৭৫ সালের ইতিহাসে ফিরে যাই শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুতে শোক ও সমবেদনার জন্য তাকে দিয়ে ন্যাশনাল ও আইএফসি ব্যাংককে লোপাট করার সুযোগ করে দেওয়া হয়।
বক্তারা আরও বলেন, ২০১৩ সালে পারভীন শিকদারকে সংরক্ষিত আসনে এমপি হিসেবে পূরষ্কৃত করলেন। আমরা কি দেখলাম ২০১০ থেকে ২০১১ সালে হক মার্কেট কেলেংকারি। আওয়ামীলীগের দোসর সাইফুজ্জামান চৌধুরীকে সুযোগ দেওয়া হলো। তিনি সোনালী ব্যাংক থেকে ৩৬ হাজার কোটি টাকা আতœসাত করলেন। ব্যাংকটিকে ঋণ খোলাপীতে নিয়ে গেলো। এরপর তাকে ভূমিমন্ত্রী করলো। এখানেই শেষ নয় সালমান এফ রহমান তার বে¤্রেিকা গ্রæপের মাধ্যমে নামে-বেনামে জনতা ব্যাংক, রুপালী ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, এবি ব্যাংক সহ আরও প্রায় ডজন খানেক ব্যাংক থেকে ৩৬ হাজার কোটি টাকা আতœসাত করলেন। সালমান এফ রহমান ব্যাংকগুলোকে ধ্বংস করলো। সেই ফ্যাসিস্ট হাসিনা নীল নকশার মাধ্যমে ,দেশ প্রেম বলতে তার যখন কিছুই অবশিষ্ট থাকলো না,তখন তার চোখ পড়েছিল এই ইসলামী ব্যাংকের দিকে। আমরা জানি মরহুম খালেদা জিয়া দেশকে ভালোবাসতেন আপনি তারেক রহমান তার সন্তান। আপনি এই ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান কে অপসারন করে ব্যাংকটিকে রক্ষা করুন। আমরা সবাই এই ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক আমাদের টাকা এই ব্যাংকে আছে। আপনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন এখন পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনুন। যদি ব্যাংকে টাকা রাখা না যায়, কিসের দেশ, কিসের সরকার। কোনো অর্থ লুটপাট হবে,এটা আমরা বুঝিনা। এখন তো স্বৈরাচারী সরকার নেই কেনো এখন আমাদের এ পরিনতি। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাব্বির আহমেদ, নাজিম উদ্দীন, মো. মাসুদ , হাসিবুল ইসলাম এড. আকবর আলী তছলিম উদ্দীন প্রমূখ।














