আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ২১ নভেম্বর শুক্রবার ফক্স নিউজ রেডিওকে ট্রাম্প বলেন, প্রস্তাব গ্রহণের জন্য কিয়েভের উপযুক্ত সময় আগামী বৃহস্পতিবার। একই সঙ্গে নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে হোয়াইট হাউসে বৈঠকের সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “একটা পর্যায়ে জেলেনস্কিকে কিছু না কিছু গ্রহণ করতে হবে। যদি গ্রহণ না করেন, তাদের লড়াই চালিয়ে যাওয়া ছাড়া কোনো গতি নেই।”
জেলেনস্কি কিয়েভে নিজের কার্যালয়ের সামনের রাস্তা থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে বলেন, “আমরা এখন ইতিহাসের এক কঠিন মুহূর্ত পার করছি। ইউক্রেনের ওপর চাপ সর্বাধিক। আমাদের হয়তো সম্মান হারাতে হবে, অথবা গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হারাতে হবে।” তিনি আরও বলেন, পরিকল্পনায় অন্তত দুটি বিষয় নিয়ে কোনো আপস না হওয়া উচিত—সেটা হল ইউক্রেনের সম্মান ও স্বাধীনতা। এর আগে জেলেনস্কি জানিয়েছেন, যুদ্ধ থামাতে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে তিনি প্রস্তুত।
ট্রাম্প প্রশাসনের ২৮ দফার শান্তিচুক্তি অনুসারে, ইউক্রেনকে পূর্ব দিকের দনবাস অঞ্চল রাশিয়ার হাতে ছাড়তে হবে। বিনিময়ে, রাশিয়া কিছু দখলকৃত অঞ্চল ছাড়বে। এছাড়া ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনী ৬ লাখে সীমিত করা হবে এবং দেশ কখনো ন্যাটোর সদস্য হতে পারবে না।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে বলেছেন, প্রস্তাব চূড়ান্ত সমঝোতার ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। কিয়েভ যদি আলোচনায় না আসে, তবে কুপিয়ানস্কে রুশ সেনাদের সফল অভিযান অন্যান্য অংশেও পুনরাবৃত্তি হবে। তিনি আরও জানান, গত আগস্টে ট্রাম্পের সঙ্গে আলাস্কায় বৈঠকের আগে যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে মস্কো কিছু ছাড় দিয়েছে।



