নাজিম হাসান,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি: রাজশাহীর পুঠিয়া ও দুর্গাপুরের সীমান্ত এলাকা ও বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভা হাট-বাজারে অলিত গলিতে গড়ে উঠা বিভিন্ন ফার্মেসিতে অবৈধভাবে প্রেসক্রিপশন ছাড়া নেশা জাতীয় ও জীবননাশক ঔষধ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ফলে মাদকের অভাবে নেশা বদল করেছে মাদকসেবীরা। ফার্মেসী গুলোতে দেদারচ্ছে বিক্রি হচ্ছে নেশা জাতীয় ট্যাবলেট। এর মধ্যে ইনসেপ্টার সেনট্রডল,হেলথ কেয়ারের সিনটা,এসিআইয়ের লোপেন্ডা,স্কয়ারের পেনটাডল,অপসোনিনের টাপেনডল,এসকেএফের টাপেন্ড,বেক্সিকোর ট্রাপডাসহ বিভিন্ন নামের এসব ওষুধ প্রেসক্রিপশন ছাড়াই বিক্রি করা হচ্ছে। এবং নকটিন,ডিসপেন টু,মাইলাম,বি ফিফটি,ডেকাসন,বোপাম ব্রোমাজিপাম,সিডিল,ইজিয়ামসহ নানা ধরনের ওষুধ মাদক দ্রব্য আইনে নিষিদ্ধ ওষুধগুলো প্রেসক্রিপশন ছাড়াই বিক্রি করছে ফার্মেসীর ডায়াড্রিল,এড্রিল,পেডিয়ামিন কিনে নিচ্ছে। অনেকে আবার বাচ্ছার সর্দি হাঁশি এটা বলেই সরাসরি দিয়ে দিচ্ছে। এছাড়া মাদকের বিকল্প হিসেবে নিষিদ্ধ ব্যথানাশক বিভিন্ন ধরনের ট্যাবলেটের চাহিদা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে তাহেরপুর বাজারে। এদিকে, র্যাব এবং মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের কড়াকড়ির কারনে মাদকাসক্তরা বিকল্প নেশার দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। ফলে তাহেরপুর বাজারের ফার্মেসীগুলোতে গ্রুপ বেধে মাদকাসক্তরা ঘুরে ঘুরে নেশাজাতীয় ওষুধ গুলো সংগ্রহ করে।পরে সেগুলোকে বিভিন্ন নেশার আদলে প্রস্তুত করেই সেবন করছেন। এসব ওষুধ বিক্রির সময় ফার্মেসীর রসিদ রাখার নিয়ম থাকলেও মানছে না কোনো ফার্মেসী। তবে চিকিৎসকরা বলছেন,এসব ওষুধ মাত্রাতিরিক্ত সেবন করলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তবুও এসব খেয়ে নেশা করছে বয়ষক,যুবক ও বখাটে মাদকসেবীরা। এতে করে অভিভাবকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। সচেতন মহলের দাবি, প্রেসক্রিপশন ছাড়া ঔষধ বিক্রি বন্ধ হলে নেশা জাতীয় ঔষধ কেনাও বন্ধ হবে। এছাড়া দেশ ব্যাপী মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা হলেও তাহেরপুর পৌরসভায় অভিযান পরিচালনা হয়নি।















