পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ে হঠাৎ চালের বাজারে কিছু টা স্বস্তি আসলেও বেড়েছে সব ধরনের সবজি সহ ডিমের দাম। বাজরে গিয়ে কপালে চোখ উঠছে মানুষের। পঞ্চগড়ে জেলা শহর ঘুরে দেখা গেছে, গত একসপ্তাহ ধরে সবজির বাজার ঊর্ধ্বমুখী। কাঁচামরিচের দাম বাড়তে বাড়তে ৩ শত টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত এক সপ্তাহ আগেও ২ শত টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এর মাস খানেক আগে ছিল ৮০ টাকা থেকে ১০০ শত টাকা কেজি। কয়দিন যাবত তেমন বৃষ্টিপাত না হলেও দাম বাড়ার কারন বলতে পারছেনা খুচরা ব্যবসায়িরা। বেড়েছে বেগুনের দাম। যে বেগুন মাস খানেক আগে ছিল ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি। সেই বেগুন ৪০ টাকা থেকে এক লাফে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। একই ভাবে বেড়েছে পটল ও ঢেড়ষের দাম। এখন প্রতি কেজি পটল ও ঢেড়ষ এখন ৬০ টাকা কেজি। পেঁয়াজের দাম বাড়তে বাড়তে এখন ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
আদা ও রসুনের দাম তেমন একটা বাড়েনি। কাঁচামাল ব্যবাসায়ি সেলিমের দাবী সব সবজি বন্যাত্র এলাকায় চলে যাচ্ছে। সরবরাহ কমে গেছে।
অপরদিকে ডিমের বাজারে চলছে তেলেসমাতি। প্রতি হালি ডিম ৪০ টাকার স্থলে এখন ৪৬ হালি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিম ব্যবসায়ি লিটন জানান খামারে দাম বেশি। আমরা কি করবো।
এছাড়া দেশী মুরগী এখন ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বয়লার সোনালী মুরগীর দাম স্থিতিশীল। তবে মাছের বাজার চড়া। বাজারের কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর সাথে কথা বললে তারা বলেন আশ্চর্যের বিষয় কাঁচা মরিচ ৩ শত টাকা কেজি। এটা কি করে সম্ভব। একজন হোমিও চিকিৎসক একই কথা বলেন।
তবে চালের দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে। ভালো মানের ২৫ কেজি আঠাইশ চাল গত সপ্তাহে ছিল এক হাজার পাঁচশত থেকে এক হাজার আশি টাকা। তা এ সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে একহাজার তিনশত পঞ্চাশ থেকে এক হাজার তিনশত আশি টাকা। গালামাল ব্যবসায়ি মাহবুব আলম বলেন, আঠাইশ চালের দাম বেড়েছিল। এখন একহাজার তিনশত ৫০ পর্যন্ত বিক্রি করা যায়। চাল ব্যবসায়ি আব্দুল খালেক বলেন, চালের দাম অনেকটা কমে গেছে।
এদিক হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে কসমেটিকস প্রসাধনীর দাম। দেশে উৎপাদিত সব ধরনের গোসল করার সাবানের দাম বাড়তি। এছাড়া আমদানী কারক প্রতিষ্ঠান গুলো বাড়িয়ে দিয়েছে সব ধরনের কসমেটিকসের দাম। একটি ১৫০ গ্রাম ওজনের স্যান্ডেলিনা বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকা। যা আগে ছিল ৭০/৭৫ টাকা। একটি বিদেশী মুখের ক্রিম ছিল ২৩০ টাকা থেকে ২৮০ টাকা। সেই ক্রীম এখন চারশত টাকা। অনেকেই বিদেশে এসব ক্টীম কিনতে গিয়ে দেশে উৎপাদিত ক্রীম নিয়ে বাড়ি ফিরছে। দেশে উৎপাদিত ( ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী), একই ওজনের একটি ক্রীম বিক্রি হচ্ছে ২০০ শত টাকা।
পঞ্চগড় শহরের কসমেটিকস দোকান মালিক ইমরান জানান, বিদেশী ক্রীম এবং পারফিউমের এতোটা বেড়েছে খরিদ্দারকে বলতেন জানি কেমন লাগে। তাই বিদেশী ক্রীম না নিয়ে অনেকে দেশে উৎপাদিত ক্রীম নিচ্ছে। পারফিউমের দামও অনেক বেশী।













