• Home
  • দেশ
  • পাঁচজনকে আসামী করে মামলা ,মূল আসামী গ্রেফতার

    পঞ্চগড়ে ধারালো ছোঁড়ার আঘাতে একজন গুরুত্বর সহ আহত কয়েকজন
Image

পাঁচজনকে আসামী করে মামলা ,মূল আসামী গ্রেফতার

পঞ্চগড়ে ধারালো ছোঁড়ার আঘাতে একজন গুরুত্বর সহ আহত কয়েকজন

পঞ্চগড় প্রতিনিধি:পঞ্চগড়ে জমিতে আমন রোপন করতে গিয়ে মারপিটের ঘটনায় ৫ জনকে আসামী করে মামলা। মামলা দায়ের করার ২৪ ঘন্টায় মূল আসামী গ্রেফতার। ঘটনাটি ঘটেছে, পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের বিশমনি এলাকার খুনিয়াপাড়ায়। মামলার বাদী মাহবুব আলম। পিতা রিয়াজুল ইসলাম প্রধান। মামলা নং-৪৫ তারিখ-২৪/০৭/২০২৬ ইং।

পঞ্চগড় সদর থানায় দায়েরকৃত মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মাঘই মৌজার ৪৮২ হাল খতিয়ানের ১৪৯৮ দাগে জমিতে ঘটনার দিন ২১ জুলাই সকালে ছয়টার দিকে বাদী পক্ষের লোকজন সহ মাহিন্দ্র ট্রাক্টর দ্বারা জমিতে আমন রোপন করতে চাষ শুরু করে। এসময় আসামীরা বাঁধা প্রদান করে। এ বিষয়ে বাদী পক্ষের লোকজন এর কারন জানতে চাইলে মামলার ১ নম্বর আসামী জাহাঙ্গীর (৪৫) হুকুমে ২ নং আবির হোসেন (২৩) ধারালো ছোঁড়া দিয়ে বাদীর ভাই হাসিবুল ইসলামের কপালে আঘাত এক সময় গলায় আঘাত করে। এসময় ৩ নং আসামী হাফিজুল ইসলাম (৩৬) তেড়ে এসে আবারও একই অস্ত্রে তাকে আঘাত করে।এতে হাসিবুল ইসলাম শারীরিক ভাবে গুরুত্বর আহত হয়।

বাদী মামলায় উল্লেখ করেন যে, তাকে ও মামলার আসামী ৪ নং আসামী রতœা বেগম (৩৮) ও ৫ নং আসামী ইতি বেগম(২৮) ঘটনাস্থলে এলোপাথারী মারপিট করতে থাকে।এসময় তাদের চিৎকারে আক্রান্ত বাদী পক্ষের ভাই রবিউল ইসলাম সহ অন্যান্যরা সহ স্থানীয়রা সেখানে ছুটে আসে। এ ঘটনায় হাসিবুল ইসলামের ছেলে ফাহাদ হোসেন বয়স ১৮ মাস। তার চোখে ও ঘুষি মারে আসামীরা।

স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে আবার ও তাদের পথ রোধ করে দীর্ঘক্ষন অবরুদ্ধ করে রাখে। এমন ঘটনায় খবর পেয়ে পঞ্চগড় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। তাদের গুরুত্বর অবস্থায় উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে বাদীর ভাই হাসিবুল ইসলাম এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ ব্যাপারে পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান জানান, মামলার এক নম্বর আসামীকে পরদিন গ্রেফতার করে কোর্টে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলা তদন্তাধীন।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »