• Home
  • দেশ
  • মেয়েকে খোঁজাখুঁজি করলে ধর্ষণ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ; পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি দুই সন্তান

    সিরাজদিখানে কোচিং থেকে ফেরার পথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণ
Image

মেয়েকে খোঁজাখুঁজি করলে ধর্ষণ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ; পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি দুই সন্তান

সিরাজদিখানে কোচিং থেকে ফেরার পথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণ

সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি : মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার মালখানগর এলাকায় এক এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছাত্রী গত ২৯ তারিখ হতে ৬ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ছাত্রীর মা আরজু বেগম সিরাজদিখান থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মালপদিয়া গ্রামের মৃত মোক্তার হোসেনের মেয়ে আনিসা আক্তার (১৭) মালখানগর ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী এবং ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থী। গত ২৯ জুন ২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে কোচিং সেন্টার থেকে বাড়ি ফেরার পথে মালখানগর কলেজ রোড এলাকা থেকে তাকে জোরপূর্বক একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে ছাত্রীর মা উল্লেখ করেন, দক্ষিণ তাজপুর এলাকার শামসুল শেখের ছেলে ও তার সহযোগী ৪-৫ জন মিলে তার মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ সময় মেয়ের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসতে চাইলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

ভুক্তভোগী মা আরজু বেগম বলেন, আমার মেয়েকে ফিরিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে অভিযুক্তরা আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। তারা বলেছে, মেয়েকে খোঁজাখুঁজি করলে তাকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হবে এবং অশ্লীল ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এমনকি আমার ছেলে নাবিলকেও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমার মেয়ে নিখোঁজ থাকায় এবং পরিবারের ওপর চলমান আতঙ্কের কারণে আমার দুই সন্তানই এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। একজন মায়ের জন্য এর চেয়ে কষ্টের আর কিছু হতে পারে না। আমি প্রশাসনের কাছে আমার মেয়েকে দ্রুত উদ্ধারের দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে সিরাজদিখান থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আলাউদ্দিন জানান, সিরাজদিখান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছেন । তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »