পঞ্চগড় প্রতিনিধি : ইসলামিক ফাউন্ডেশন পঞ্চগড়ের উপ-পরিচালক (ডিডি) রাজিউর রহমান রাজের বিরুদ্ধে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় চাওয়া তথ্য না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এ বিষয়ে একাধিক সংবাদকর্মী আবেদন করলেও তারা নির্ধারিত তথ্য পাননি।
অভিযোগকারীদের দাবি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম, বিশেষ করে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষক নিয়োগ, ইমাম প্রশিক্ষণ, স্টেশনারি ক্রয় এবং অন্যান্য ব্যয়সংক্রান্ত তথ্য জানতে তারা তথ্য অধিকার আইনের আওতায় আবেদন করেন। তবে তাদের দাবি, নির্ধারিত সময় পার হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে কোনো তথ্য সরবরাহ করা হয়নি।
সংবাদকর্মী বদরুদ্দোজা প্রধান বাঁধন বলেন, “ভুয়া বিল-ভাউচারের অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা যাচাই করতে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো তথ্য পাইনি।”
আরটিভির পঞ্চগড় প্রতিনিধি হারুন অর রশিদ বলেন, “গত ৩১ মার্চ আবেদন করেছি। পরে কয়েকবার অফিসে গিয়েও প্রয়োজনীয় তথ্য পাইনি।”
আরেক আবেদনকারী সংবাদকর্মী সাইদুজ্জামান রেজাসহ স্থানীয় আরও কয়েকজন সাংবাদিকও একই ধরনের অভিযোগ করেছেন।
এদিকে, স্থানীয়ভাবে উপ-পরিচালক রাজিউর রহমান রাজের বিরুদ্ধে অতীতে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও উত্থাপিত হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো প্রমাণ যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পঞ্চগড়ের উপ-পরিচালক রাজিউর রহমান রাজের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
















