• Home
  • আন্তর্জাতিক
  • যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের জবাবে কুয়েত-বাহরাইনের ৮ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা
Image

যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের জবাবে কুয়েত-বাহরাইনের ৮ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা

যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র উপসাগরীয় দেশ কুয়েত আর বাহরাইনে হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) আজ রোববার জানিয়েছে, প্রতিবেশী দেশ দুটিতে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।

এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের জবাব হিসেবে এসব হামলা চালানো হয়েছে। মূলত এর মধ্য দিয়ে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে যে ভবিষ্যতে যেকোনো আগ্রাসনের ‘কড়া জবাব’ দেওয়া হবে।

কুয়েতের আলি আল–সালেম ঘাঁটি ও বাহরাইনের সালমান বন্দরে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম বহরের ঘাঁটিতে ইরানের এসব হামলায় আট গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে আইআরজিসি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘শত্রুপক্ষের যেকোনো আগ্রাসন কিংবা অজুহাত, যা–ই হোক না কেন; এমনকি তুচ্ছ কোনো লক্ষ্যবস্তুতে হলেও, সেটার কড়া জবাব দেওয়া হবে।’এর আগে ইরানে আবারও হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আজ ভোরে জানিয়েছে, দক্ষিণ ইরানের সিরিক এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালিতে নতুন করে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা চালানোর সর্বশেষ ঘটনা ঘটল।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছে, গতকাল শনিবার হরমুজ প্রণালিতে পানামার পতাকাবাহী তেলবাহী একটি ট্যাংকারে ড্রোন হামলা চালায় ইরান। পরে তারাও পাল্টা হামলা চালায়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আজ ভোরে জানিয়েছে, দক্ষিণ ইরানের সিরিক এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

শত্রুপক্ষের যেকোনো আগ্রাসন কিংবা অজুহাত, যা–ই হোক না কেন; এমনকি তুচ্ছ কোনো লক্ষ্যবস্তুতে হলেও, সেটার কড়া জবাব দেওয়া হবে।যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে সপ্তাহ দুয়েক আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর এটিই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় ঘটনা।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। শুরু হয় সর্বাত্মক যুদ্ধ। এখন স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তির জন্য সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। ৬০ দিনের মধ্যে স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে চায় ওয়াশিংটন ও তেহরান।

তবে যুদ্ধ বন্ধের স্মারকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যেসব সমঝোতা হয়েছে, তা লঙ্ঘনের অভিযোগ দুই পক্ষই একে-অপরের বিরুদ্ধে একাধিকবার এনেছে।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »