• Home
  • দেশ
  • রাজশাহীর তাহেরপুরে ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিকের ছড়াছড়ি, বেড়েছে দালালদের দৌরাত্ম্য
Image

রাজশাহীর তাহেরপুরে ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিকের ছড়াছড়ি, বেড়েছে দালালদের দৌরাত্ম্য

নাজিম হাসান,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি: রাজশাহীর তাহেরপুরে বেসরকারি অনেক ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নেই পর্যাপ্ত লোকবল, নেই মেশিনারি তবুও দালাল মারফত প্রতিনিয়ত চলছে সাধারণ রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা। কিন্তু এই নিয়ে কর্তৃপক্ষের মাথাব্যথা দেখা যায়নি কখনও। নিয়ম অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শনের কথা থাকলেও তা ঠিকমতো নজরদারির আওতায় আসেনি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা থাকার পরও নিরব ভ‚মিকায় আছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সিভিল সার্জন অফিস। বেশকেছু দিন আগে তাহেরপুরে অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু তদারকির অভাবে সেগুলো এখন চলমান। অনেকেই আবার নাম পরিবর্তন করে পূর্ণরায় চালাচ্ছেন সেইসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। বøাক লিস্ট থেকে মোটা অংকের অর্থ দিয়ে এখনো বহাল তবিয়তে তারা। তবে নিয়মিত রুটিন ওয়ার্ক হিসেবে কাজ করার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন আছে নিরব ভ‚মিকায়। অনুসন্ধানে গিয়ে জানাগেছে, রয়্যাল ক্লিনিক,ইস্পন্ডন ক্লিনিক,ফোরস্টার ক্লিনিক, তাহেরপুর ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও সাব্বির্ ক্লিনিকে দালালরা গ্রাম থেকে আসা সহজ সরল সাধারণ মানুষজনকে ভুল বুঝিয়ে মিথ্যা কথা বলে এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার নিয়ে যাচ্ছেন।এবং অসহায় রোগী প্রতারিত হলেও দালালরা প্রকাশেই ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্ড বুকে ঝুলিয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

জানাগেছে,নিয়মানুযায়ী বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালুর আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে অনুমোদন নিতে হয়। পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়েই চালু করতে হয় ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার জন্য থাকতে হয় প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট, যন্ত্রপাতি।শুধু তাই নয়, ক্লিনিক কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালুর জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের লাইসেন্স, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিতে হয়। প্রতি অর্থবছরে নবায়ন করতে হয় নিবন্ধন। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মানা হয় না এসব নিয়ম কানুন। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মানা হয় না এসব নিয়ম কানুন। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই চলছে এসব হাসপাতাল-ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। ফলে দিনেরপর দিন দালালের খপ্পরে পড়ে প্রতারিত ও সর্ব শান্ত হচ্ছেন অসহায় মানুষ। আর লাভবান হচ্ছেন কতিপয় দালাল ও অসাধু ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক। নাকের ডগায় এসব অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক গড়ে উঠলেও চোখে দেখেননা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা। এসব প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশতেই মানা হয় না কোনো নিয়মকানুন। অনেকের নেই যথাযথ লাইসেন্সও। আবার অনেক প্রতিষ্ঠান লাইসেন্সের আবেদন করেই শুরু করেছে কার্যক্রম। আবার যাদের লাইসেন্স আছে তারাও মানছেন না নিয়মকানুন।

এ বিষয়ে কথা বললে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক বলছেন, আমরা রুটিন ওয়ার্ক অনুযায়ী সব কিছু তদারকি করি। এর আগে যাদের বন্ধ করা হয়েছিলো তাদের কাগজ পত্র ঠিক ছিলো না। কাগজপত্র ঠিক করার পর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যদি কেউ এরকম কাজে লিপ্ত হয় বা সাধারণ রোগীদের হয়রানি বা প্রতারণা করে তাহলে তা তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »