নভেম্বরের মাঝামাঝি শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে
পঞ্চগড় প্রতিনিধি: দেশের সর্ব উত্তরের শীত প্রধান জেলা হিসেবে পরিচিত পঞ্চগড় জেলায় এখনও শীতের তীব্রতা নেই।তবে কমেছে তাপমাত্রা। এদিকে গত এক মাস ধরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠানামা করছে। তবে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে তাপমাত্রা স্থির থাকলে এ অঞ্চলে প্রচন্ড গরম অনুভূত হয়ে থাকে।দিনের বেলায় রোদ্র থাকে। তবে গরমের তীব্রতা অনেকটাই কমেছে। এতে তীব্র গরমের দূর্ভোগ থেকে রেহাই পেয়েছে মানুষ।
এদিকে তেতুঁলিয়া আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায় আজ শনিবার এমৌসুমের সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। শনিবার সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দমমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩১ দমশিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।তেতুঁলিয়া আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে এবং মাঝামাঝি সময় তা তীব্রতাও বাড়তে পারে।
এর আগে গতকাল শুক্রবার সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহষ্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃষ্টি নেই , তবে গত সোমবার সন্ধ্যায় কিছুটা বৃষ্টিপাত হয়েছিল। তবে শনিবার সকাল নয়টায় সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা কিছুটা কমলে দিনের গরম কিছুটা কমে আসে। রোদ্র ছিল সহনীয় মাত্রায়। ধারণা করা হচ্ছে চলতি বছরের নভেম্বরে শীতের তীব্রতা কিছুটা হলেও বাড়তে পারে।
এছাড়া শীতের আগমনী বার্তা আসার পর ভোরের দিকে কিছুটা কুয়াশা পড়ছে। আমন ধান ও ঘাসে শিশির বিন্দুতে ভরে উঠছে। গরমের দাপট কমায় মানুষ স্বাভাবিক ভাবে তাদের কাজকর্ম সহসা করতে পারছে।
ভ্যান চালক রবিন বলেন এবার গরমে ভীষন কষ্ট পেয়েছিলাম। তবে সেই গরম আর নেই। তবে শীত সে রকম ভাবে এখনও পড়েনি। তবে সামনে শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে।সদর উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের কৃষক নবির উদ্দীন বলেন, নভেম্বরে আমন ধান কাটা শুরু হবে দেখবেন তখনি শীত পড়বে।
তেতুঁলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় জানান, আজ শনিবার তেতুঁলিয়ায় সর্ব নিন্ম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এখন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ থেকে ৩২ এ ওঠানামা করছে। নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে তাপমাত্রা কমতে পারে এবং মাঝামাঝি সময় শীতের তীব্রতা বাড়বে বলে জানান। তিনি আরও বলেন এর মধ্যে তেতুঁলিয়া এলাকায় বৃষ্টি হয়নি। তাই তা রেকর্ড করা সম্ভব হয়নি। চলতি মাসের ২৭ তারিখ হতে কিছু কিছু জায়গায় মাঝারি আকারে বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা রয়েছে।















