• Home
  • দেশ
  • কক্সবাজার সদর হাসপাতাল দালাল সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি, নেপথ্যে প্রচার-প্রভাবশালী চক্র!
Image

কক্সবাজার সদর হাসপাতাল দালাল সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি, নেপথ্যে প্রচার-প্রভাবশালী চক্র!

আরিফা মেহের রুমি। কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অসহায় সাধারণ রোগীরা এখন এক সংঘবদ্ধ দালাল সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি। দুর-দুরান্ত থেকে আসা রোগীদের ভুল বোঝানো ও জোর জবরদস্তি করা এই চক্রের মূল কাজ। এই দালাল চক্রের রয়েছে বেশ কয়েক জন তার মধ্যে সক্রিয় রয়েছে শেফালী ও রেদোয়ান। ইমার্জেন্সি থেকে শুরু করে বহির্ভাগ পর্যন্ত এই চক্র সার্বক্ষণিক নজরদারি চালায়। গর্ভবর্তী প্রস্তুতিদের লক্ষ্য করে তারা জাল বিস্তার করে।

চক্রটির দৌরাত্মা কেবল সাধারণ দালালি পর্যন্তই সীমাবদ্ধ নয় রোগীর সিজারের টিম চার্জ পর্যন্ত তারা নির্ধারণ করে দেয়। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি গাইনী ভাক্তার আরিফা মেহের রুমি। আরও কয়েক জন ভাক্তার এই সিন্ডিকেটের সাথে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন। রোগীদের বিভিন্ন অজুহাতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পরামর্শ দেন ভাক্তার সহ এই সিন্ডিকেট।

বেসরকারি হাসপাতালের ও বিভিন্ন ভাক্তারের সাথে এই সিন্ডিকেটের গভীর সুসম্পর্ক রয়েছে। সদর হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে নিয়ে তাদের কাছে পৌঁছানোর মাধ্যমে পালাল চক্রের পকেটে ভুকে ৬-৮ হাজার টাকা।

উপকূলীয় ও দূরবর্তী এলাকা থেকে আসা পরিদ্র রোগীরা উন্নত চিকিৎসার আশায় সদর হাসপাতালে এতে প্রতিনিয়ত হয়রানিত শিকার হচ্ছে। অনেক সময় ফি ছাল চিকিৎসা মেলেনা, আবার সিন্ডিকেটের কথা না শুনলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মধ্য পড়ে রোগী ও তাদের স্বজনরা। চিকিৎসা খরচ বাঁচাতে আসা সাধারণ মানুষ উল্টো হাজার টাকা খুইয়ে সর্বশান্ত হয়ে বাড়ি ফিরছে।

সরকারি হাসপাতালের ভাক্তারগণ তোগীর চিকিৎসা সঠিকভাবে না দিয়ে পালাল চক্রের মাধ্যমে রাতের আঁধারে রোগী বের করে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভবর্তী প্রসূতির সিজার করে।

আমাদের কাছে তথা এসেছে পালাল চক্রের মূল হোতা শেফালী ও তার সহযোগী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গত একমাত্রে রোগী ভেলিভারি করেন একশত-এর চেয়েও বেশি তার মধ্যে শেফালী একানের নামে রোগী প্রায় ৫০ জন। ভাকোর আরিফা মেহের রুমি এই সিন্ডিকেট কে পরিচালনা করে তার আিিসস্ট্যান্ট আলাউদ্দিনের মাধ্যমে।

সদর হাসপাতাল এখন তোগী সেবার চেয়ে পালালদের দৌরাত্ম্য ও অপতৎপরতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। হাসপাতালের প্রধান ফটক থেকে শুরু করে জরুরি বিভাগ, টিকিট কাউন্টার, প্যাথলজি বিভাগ এবং ওয়ার্ড সর্বত্রই গড়ে উঠেছে দালালদের এক শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। অসহায় ও পরিদ্র রোগীর প্রতিদিন এই সিন্ডিকেটের হাতে নানাভাবে হয়রানি ও আর্থিক শোষণের শিকার হচ্ছেনা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে মাবো মাবো দালালবিরোধী অভিযান বা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বন্ধ হলেও মাঠপর্যায়ে তার কোনো স্থায়ী প্রভাব দেখা যায় না। সচেতন মহলের মতে, প্রশাসনিক নজরদারি বৃদ্ধি, সিসিটিভি ক্যামেরার মাধামে কঠোর তদারকি এবং দালাল চক্রের মূল হোতা ও তাদের পেছনের আশ্রয়দাতাদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা না দিলে সরকারি এই স্বাচ্ছাসেবা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। সূত্র-ভোরের কক্সবাজার

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »