• Home
  • Uncategorized
  • মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা: প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
Image

মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা: প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

অনলাইন ডেস্ক: গত ২৪ এপ্রিল ২০২৬ইং তারিখে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে “উগ্র মতাদর্শের উত্থান-সাম্প্রতিক বাংলাদেশে ধর্মীয় রাজনীতি ও মানবাধিকারের সংকট!” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। উক্ত প্রতিবেদনে আমার নাম মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন: পিতা-মো. আলাউদ্দীন মোল্লা, মাতা: ফিরোজা হুমায়রাসহ বিভিন্ন ব্যক্তির নাম, পরিচয় ও ঠিকানা ব্যবহার করে ধর্ম, রাজনীতি, মানবাধিকার এবং বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে নানা ধরনের বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রতিবেদনটিতে বিভিন্ন তথ্য, বক্তব্য ও পরিচয় মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর এবং যথাযথভাবে যাচাই না করে গত ০৫ মে ২০২৬ তারিখে মামলা করা হয়েছে। সাইবার ট্রাইব্যুনাল মামলা নম্বর- ১৮৭/২০২৬। এমন অভিযোগের বিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রকাশিত লেখায় যেসব ব্যক্তির নামে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তাদের পরিচয়, বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট তথ্যের সত্যতা যাচাই না করেই প্রকাশ করা হয়েছে কি না বিষয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে কোনো ব্যক্তির নামে রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা সামাজিকভাবে স্পর্শকাতর বক্তব্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির লিখিত সম্মতি, বক্তব্যের সত্যতা এবং পরিচয় যাচাই করা সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এছাড়া প্রকাশিত লেখায় বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়, রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ও মন্তব্য করা হয়েছে। এসব বক্তব্য যদি যথাযথ প্রমাণ, নির্ভরযোগ্য সূত্র ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ ছাড়া প্রকাশিত হয়ে থাকে, তাহলে তা পাঠকের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করে।

স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, প্রকাশিত লেখায় থাকা মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর বা আপত্তিকর কোনো বক্তব্যের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক বা সম্মতি নেই। আমি কোনো ধর্ম, সম্প্রদায়, রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিদ্বেষ, ঘৃণা, সহিংসতা কিংবা বিভাজনমূলক বক্তব্যকে সমর্থন করি না।

ইয়ং টাইগার গ্রুপ:

১। আবু সায়েদ (২৭) দড়িকান্দি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
২। আফরোজা খানম চৌধুরী (৩৭) কোতয়ালী কুমিল্লা।
৩। আল ইমরান আহমেদ (২৬) ওসমানীনগর সিলেট।
৪। আসাদুর রহমান দিপু (৩৪) মৌলভীবাজার।
৫। বগদাদ পিয়ারী রবি (৪৬) কোতয়ালী কুমিল্লা।
৬। জান্নাতুল নাঈম জান্নাত (২৬), শাহপরান, সিলেট।
৭। আব্দুর রহমান (৩৩) ফেনী।
৮। মোহাম্মদ রাকিবুল হাফিজ (৩৪) বোয়ালিয়া, রাজশাহী।
৯। মোঃ রাশেদুজ্জামান সরকার (৪৩) রাজশাহী।
১০। মোঃ মিজানুর রহমান (৫০), রাজশাহী।
১১। মহিউদ্দিন মিয়া (২৭), বোয়ালমারী ফরিদপুর।
১২। মুহাম্মদ জাকির হোসেন (৪৬), গোসাইর হাট, শরীয়তপুর।
১৩। সাদিয়া শারমিন আয়েশা (১৯), শাহপরান সিলেট।
১৪। মোহাম্মদ মুরাদ হোসেন (৫০), আতাইকুলা পাবনা।
১৫। মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন (৫০) আশুলিয়া, ঢাকা।

উগ্র ধর্মীয় মৌলবাদের আগ্রাসনে আজ বাংলাদেশের কানায় কানায় পরিপূর্ণ। বর্তমানে বাংলাদেশে আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগের থেকেও বেশী মানুষ নিষ্পীড়ন, নির্যাতন ও অশ্লীল কাম লালসার শিকার হচ্ছে। বিশ্বশান্তির বাণী নিয়ে নবী মুহাম্মদ ধর্মের যে বিষবৃক্ষ আজ থেকে ১৪০০ বছর পূর্বে আরবের মরুভূমিতে রোপন করেছিল তা আজ সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে কিছু ইসলামি ধর্ম ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে (যেমন জামায়াতে ইসলাম, হেফাজতে ইসলাম, চরমোনাই ইত্যাদি), ছড়িয়ে পড়ছে। ইসলাম মানে শান্তি হলে সৃষ্টির শুরু থেকেই লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বিপন্ন করাই এই ধর্মের মূল উদ্দেশ্য এবং নিজেদের হীন স্বার্থ উদ্ধার কাম লালসা পূর্ণ করা এবং শান্তির নামে অশান্তি সৃষ্টি করাই ভণ্ড প্রতারক এই ধর্মের অনুসারীদের প্রধান কাজ। এই ধর্মের অনুসারী, রক্ষক এবং প্রচারকরা নিজেদের স্বার্থে যে কোন অন্যায় অবৈধ কাজ করতে দ্বিধাবোধ করে না। বর্তমানে প্রায় প্রতিদিনেই দেখা যায় বিভিন্ন মাদ্রাসা, হেফজখানা এমনকি মসজিদের ভেতরেও দাড়ি ওয়ালা বকধার্মিক হুজুররা চার বছরের শিশু থেকে সত্তর বছরের বৃদ্ধা নারীকে বিভিন্ন ভাবে প্রলোভন দেখিয়ে বা জোর করে ধর্ষণ করে নিজেদের হীন লোভ লালসা চরিতার্থ করেছে এমন কি ছোট ছোট বাচ্চা শিশুদের কেও বলাৎকারের শিকার হতে হয়। অবশ্যই এই বকধার্মিক হুজুরদের কথা আর কি বলব এদের যে নবী মুহাম্মদ সে নিজেও তার নিজের লালসা পরিপূর্ণ করার জন্য তের জন অসহায় মহিলাদের সাথে বিবাহ নামক চুক্তিতে আবদ্ধ হন। কথিত আছে সাত বছরের শিশু আয়েশাকে বিবাহ করেন শুধু তার নিজের কাম বাসনা পরিপূর্ণ করার জন্য। এই ধর্মের অন্যতম একটি খারাপ দিক হলো এখানে Human Rights বলে কিছু নেই।

সারা পৃথিবীতে যেখানে নারী পুরুষের সমান অধিকার দেওয়া হয়েছে সেখানে ইসলাম ধর্মে নারীকে পুরুষ থেকে অর্ধেক অধিকার দেওয়া হয়েছে। যেমন পিতার সম্পত্তিতে মেয়েকে ছেলের অর্ধেক সম্পত্তি দেওয়া হয়েছে, সূরা নিসায় বলা আছে। আমাদের মতে এই সূরার বিধান বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত হওয়া উচিত এবং এর সাথে সম্পর্কিত যে সকল আইন বাংলাদেশে আছে তা বাতিল করা উচিত যেমন মুসলিম পারিবারিক আইন ১৯৬১। পুরুষে সাথে পুরুষের এবং নারীর সাথে নারীর যেখানে সারা পৃথিবীতে সমকামীতার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশ পেনাল কোডের ৩৭৭ ধারায় তা নিষিদ্ধ করা হয়েছে সূরা নূহ্ এর আলোকে। আমরা সাম্যতা ন্যায্যতার ভিত্তিতে মানুষের অধিকার চাই, নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য যা প্রয়োজন তা হালাল এবং নিজেদের স্বার্থের বিরুদ্ধে গেলে তা হারাম চাই না। যেমন এতদিন জামায়াতে ইসলাম এবং তাদের সমমনা দল গুলো বলে এসেছে সুদ খাওয়া হারাম অথচ নিজেদের স্বার্থে বাংলাদেশের সব থেকে বড় সুদখোর ডাঃ মুহাম্মদ ইউনূসকে তারা নবী হিসেবে মনে করে। এই ধরনের দ্বিচারিতা সমাজ থেকে সমূলে উৎপাটন করতে চাই।

নিচে তথ্যের ভিত্তিতে “অনলাইন নিউজ পোর্টালে” শিরোনামের প্রবন্ধটির লেখকদের নাম ও ঠিকানার পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেওয়া হলো:

১। আবু সাঈদ (২৮): পিতা- মোঃ শামসুল হক, মাতা- মমতাজ বেগম। ঠিকানা- দড়িকান্দি, বাঞ্ছারামপুর, দড়িকান্দি-৩৪১৩, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ।

২। আফরোজা খানম চৌধুরী (৩৮): পিতা- জাহাঙ্গীর খান চৌধুরী, মাতা- আয়েশা খানম চৌধুরী। ঠিকানা- বৌরিচং হাউজ, ঠাকুর পাড়া, বাগান বাড়ী, কোতওয়ালি মডেল, কুমিল্লা সদর- ৩৫০০, কুমিল্লা ।

৩। আল ইমরান আহমেদ (২৭): পিতা- তমজিদ আলী, মাতা- আয়েশা বেগম। ঠিকানা- নিজ কুরুয়া, ওসমানী নগর, সিলেট ।

৪। আসাদুর রহমান দিপু (৩৫): পিতা- মোঃ নুরুল হক, মাতা- রায়না বেগম। ঠিকানা- বারকাপন, মৌলভীবাজার সদর, বারকাপন-৩২০১, মৌলভীবাজার ।

৫। বোগদাদ পিয়ারি রুবি (৪৬): পিতা- এস কে এম মনজুর ই মোরশেদ সোহাব, মাতা- বেগম রোকেয়া। ঠিকানা- কুচাইতলী, কোতওয়ালী মডেল, রাজাপাড়া ৩৫০০, কুমিল্লা ।

৬। জান্নাতুন নাঈম জান্নাত (২৭): পিতা- মোঃ মোফাজ্জল হোসেন নিমাড়, মাতা- খালেদা বেগম চৌধুরী। ঠিকানা- শাহাজালাল উপশহর, ব্লক-ই, রোড নং ০২, হাউস নং- ২৬, শাহপড়ান, সিলেট সদর-৩১০০, সিলেট ।

৭। মোঃ আব্দুর রহমান (৩৪): পিতা- আবু তাহের, মাতা- রায়হানা বেগম। ঠিকানা- মাসিমপুর, ধলিয়া, ফেনী সদর, ফেনী ।

৮। মোঃ রাকিবুল হাফিজ (৩৪): পিতা- মোঃ আজিজুর রহমান, মাতা- মোছাঃ মমতাজ বেগম। ঠিকানা- ১৮ বখতিয়ারাবাদ, বোয়ালিয়া মডেল, সপুরা-৬২০৩, রাজশাহী ।

৯। মোঃ রাশেদুজ্জামান সরকার (৪৪): পিতা- আমজাদ হোসেন সরকার, মাতা- রাশিদা বেগম। ঠিকানা- কেশবপুর, বাঘা, কিশোরপুর-৬২৮০, রাজশাহী ।

১০। মিজানুর রহমান (৫১): পিতা- আতাউর রহমান, মাতা- হোসনে আরা রহমান। ঠিকানা- দক্ষিণ মিলিক বাঘা, বাঘা-৬২৮০, রাজশাহী ।

১১। মহিউদ্দিন মিয়া (২৭): পিতা- জিয়াউল কাইয়ুম মিয়া, মাতা- হালিমা বেগম। ঠিকানা- বোয়ালমারী বাজার, বোয়ালমারী, ফরিদপুর ।

১২। মুহাম্মাদ জাকির হোসাইন (৪৬): পিতা- নূর মোহাম্মদ সরদার, মাতা- খাদিজা বেগম। ঠিকানা- পাঁচকাঠি, হাটুরিয়া, গোসাইরহাট, শরীয়তপুর ।

১৩। সাদিয়া শারমিন আয়েশা (২০): পিতা- মোফাজ্জল হোসেন নিমাড়, মাতা- খালেদা চৌধুরী। ঠিকানা- শাহজালাল উপশহর, ব্লক-ই, রোড নং ০২, হাউস নং- শাহপড়ান, সিলেট সদর- ৩১০০, সিলেট ।

১৪। মোঃ মুরাদ হোসেন (৫০): পিতা- মৃত মোঃ আব্দুস ছাত্তার, মাতা- মোছা সুফিয়া বেগম। ঠিকানা- সারদিয়ার, শাঁখারি পাড়া, আতাইকুলা, পাবনা ।

১৫। মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন: পিতা-মো. আলাউদ্দীন মোল্লা, মাতা: ফিরোজা হুমায়রা । ঠিকানা- ইসলামনগর, বোরো ওয়ালিয়া আশুলিয়া, থানা-আশুলিয়া, জেলা- ঢাকা।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »