• Home
  • Uncategorized
  • কাউনিয়ায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট
Image

কাউনিয়ায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

সারওয়ার আলম মুকুল, কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি ঃ আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রংপুরের কাউনিয়ায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। উপজেলার ঐতিহ্যবাহী টেপামধুপুর ও খানসামা হাটে এখন ক্রেতা-বিক্রেতাদের সরব উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা গেছে।

বিভিন্ন পশুর হাট ঘুরে দেখা যায়, গরু, ছাগল, মহিষ ও ভেড়ার বিশাল সমাগমে পুরো হাট মুখর হয়ে উঠেছে। রংপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও আশপাশের জেলা থেকে হাজার হাজার মানুষ পশু কেনাবেচার জন্য এসব হাটে ভিড় করছেন। এছাড়া ঢাকা, কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, সিলেট ও টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকার ও ব্যবসায়ীরা কাউনিয়ার হাটে পশু কিনতে আসছেন। অনেককে ট্রাক ও পিকআপযোগে পশু দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যেতে দেখা গেছে।
শুক্রবার ও শনিবার সকাল থেকেই বিক্রেতারা পশু নিয়ে হাটে অবস্থান নেন। দুপুরের পর ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়ে জমে ওঠে কেনাবেচা। সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে বেচাকেনা। অধিকাংশ ক্রেতাই ছোট ও মাঝারি গরুর খোঁজ করছেন। তুলনামূলক কম দামে ভালো মানের পশু পাওয়ায় মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি দেখা গেছে।

বিক্রেতারা জানান, বড় গরুর তুলনায় ছোট ও মাঝারি গরুই দ্রæত বিক্রি হচ্ছে। তবে খামারিরা কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় কিছুটা হতাশ। খামারি তাজরুল ইসলাম বলেন, “খামারে গরু পালন করতে যে খরচ হয়েছে, সে অনুপাতে ক্রেতারা দাম বলছেন না। এতে অনেক খামারি ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন।”

ক্রেতা শাহনেওয়াজ জানান, গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম বেশি। অন্যদিকে বিক্রেতাদের দাবি, পশুর দাম তুলনামূলক কম। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহিম বলেন, “মানুষের হাতে টাকা কম, ধানের দামও ভালো না। তাই এবার কোরবানি কিছুটা কম হতে পারে।”

এদিকে হাটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন। পুরো হাট এলাকায় এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ এআরএম আল মামুন জানান, চলতি বছরে কাউনিয়ায় কোরবানির জন্য ২৫ হাজার ৮৬০টি গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। উপজেলার চাহিদা ১৭ হাজার ৪১১টি হলেও উদ্বৃত্ত রয়েছে ৮ হাজার ৪৪৯টি পশু। ফলে কোরবানির পশুর কোনো সংকট হবে না বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »