আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি: ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী আন্তঃনগর ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ ট্রেনে এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনা চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় ক্যান্টিনবয় আবু বক্কর সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করে বগুড়া আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে একই ঘটনায় ট্রেনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা চার পুলিশ সদস্যদের দায়িত্বে অবহেলা এবং ঘটনার সাথে জড়িত অভিযোগে প্রত্যাহার করে পাকশী রেলওয়ে জেলা পুলিশ লাইনে নেওয়া হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া চার পুলিশ সদস্যরা হলেন, এটিএসআই খোকন ইসলাম (৩৫), কনস্টেবল ফজলে রাব্বি (৩৪), গোলাম মোস্তফা (৩৬) ও আশিকুল রহমান (৩০)। এ ঘটনার বিষয়টি তদন্ত করছে রেলওয়ে পুলিশ।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা গেছে, ট্রেনটি চলন্ত অবস্থায় ওই নারীকে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দুই পুলিশ সদস্য তল্লাশির কথা বলে খাবারের বগিতে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সেখানে তার সঙ্গে অসদাচরণ ও অর্থ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। পরে ক্যান্টিনবয় আবু বক্কর সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেন ওই নারী। ঘটনার পর ভুক্তভোগী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ট্রেনটির অবস্থান শনাক্ত করে। পরে সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশনে ওই নারীকে উদ্ধার এবং ক্যান্টিনবয়কে আটক করা হয়। এ ঘটনায় সান্তাহার রেলওয়ে থানায় (ভুক্তভোগী) নিজেই বাদী হয়ে নারী শিশু আইনে মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে সান্তাহার রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দুলাল উদ্দীন বলেন, মামলায় অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যের সংশ্লিষ্টতা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে ঘটনার দিন ওই চার পুলিশ সদস্যের ট্রেনে দায়িত্ব থাকার কারণে চার পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা ও দোষীদের বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
















