• Home
  • আন্তর্জাতিক
  • ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় ‘বোর্ড অব পিস’ ব্যর্থ: এআইডিএ প্রধান
Image

ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় ‘বোর্ড অব পিস’ ব্যর্থ: এআইডিএ প্রধান

গাজার ফিলিস্তিনিদের মৌলিক অধিকার রক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ ব্যর্থ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক ত্রাণ ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর জোট অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সিজের (এআইডিএ) নির্বাহী পরিচালক অ্যাথেনা রেবার্ন।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে রেবার্ন বলেন, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা, ইসরাইলের অবৈধ উপস্থিতির অবসান এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার দিকে অগ্রগতি—এই তিনটি মানদণ্ডে ‘বোর্ড অব পিস’-এর কার্যক্রম বিচার করা উচিত। কিন্তু এসব মৌলিক মানদণ্ডেই বোর্ডটি ব্যর্থ হয়েছে। অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে কাজ করা শতাধিক আন্তর্জাতিক ত্রাণ ও সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিত্ব করে এআইডিএ।

নিরাপত্তা পরিষদের সামনে গাজার বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরতে গিয়ে রেবার্ন বলেন, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ২৮০৩ নম্বর প্রস্তাবের অধীনে ‘বোর্ড অব পিস’ গঠিত হয়েছে। তিনি বলেন, ওই প্রস্তাব সহিংসতা কমানোর সুযোগ তৈরি করলেও একই সময়ে ইসরাইলের ‘অবৈধ উপস্থিতি’ আরও পাকাপোক্ত করার সুযোগ তৈরি করেছে।

রেবার্নের অভিযোগ, গাজার ফিলিস্তিনিদের অধিকার এখন তাদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাকারী পক্ষের ‘দূরপ্রসারী, খামখেয়ালি ও স্বেচ্ছাচারী’ শর্তের নিচে চাপা পড়ে গেছে। তিনি বলেন, বর্তমান ব্যবস্থা এমন একটি পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক করে তুলেছে, যেখানে গাজায় প্রায় ২০ লাখ মানুষ আটকা পড়ে আছেন এবং তাদের বেঁচে থাকার জন্য মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

অথচ এই সহায়তার প্রবেশ ও বিতরণ নিয়ন্ত্রণ এবং সীমিত করছে সেই রাষ্ট্র, যার নীতির কারণে সংকট ও ঘাটতির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। রেবার্ন বলেন, ফিলিস্তিনিদের অধিকারকে অগ্রাধিকার না দিয়ে এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে, যেখানে তাদের জীবনযাপন ক্রমেই মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।

নিরাপত্তা পরিষদে তিনি বলেন, গাজার বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার দিকে অগ্রসর হওয়াই যেকোনো আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। সেই মানদণ্ডে ‘বোর্ড অব পিস’-এর বর্তমান কার্যক্রম সন্তোষজনক নয়। সূত্র: আল জাজিরা

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »