জাতিসংঘের বাংলাদেশে আল-কায়েদার (একিউআইএস) সম্প্রসারণ নিয়ে রিপোর্টটি অনুমাননির্ভর, সেজন্য সেটি বর্তমান সরকার আমলে নিচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, সেই রিপোর্টটি এখনও পড়িনি, তবে শুনেছি। সেখানে হয়তো তারা কিছু পর্যবেক্ষণ দিতে পারে, না দেখে বলতে পারব না।
আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশে আল-কায়েদার তৎপরতা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা বিষয়টি আমলে নিচ্ছি না। রিপোর্ট এখনো পড়িনি। তা ছাড়া, পত্রিকা থেকে আমি যতটুকু শুনেছি, ওখানে বলা হয়েছে তারা অনুমান করেছে যে এমন কিছু হতে পারে। সেটা (জাতিসংঘের প্রতিবেদন) পড়িনি। ওখানে হয়তো কিছু পর্যবেক্ষণ দিতে পারে। আমি না দেখে বলতে পারব না। আর অনুমাননির্ভর কোনো রিপোর্টের ওপর আমরা নির্ভর করতে পারি না।
ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট যেন না হয়, সেজন্য সারা পৃথিবী থেকে ব্যাপক বিনিয়োগ আহ্বান করা হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগও হবে।
তিনি জানান, মাতারবাড়িতে ল্যান্ডবেইজড এলএনজি টার্মিনাল করার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মহেশখালীতে আরেকটি এফএসআরইউ স্থাপনের জায়গা নির্ধারণ করতে জরিপ চলছে। জিটুজি ভিত্তিতে দুটি এফএসআরইউ নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির এফএসআরইউ রয়েছে। এগুলোতে যান্ত্রিক ত্রুটি বা সমস্যা দেখা দিলে সরবরাহ বিঘ্নিত হয়। এমন সমস্যায় সরকার পড়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করতে পেরেছে সরকার। তবে জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নতি করতে আরও সময় লাগবে। মাত্র ছয় মাস পার হয়েছে। এর মধ্যে অনেক সংস্কার কাজ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন প্রশংসনীয় উদ্যোগ দেখা গেছে।
তিনি বলেন, আশা করি, ১৮০ দিনের মধ্যে সরকার বাস্তবায়িত এবং শুরু করা কর্মসূচি প্রশংসিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দু-একটি সংকটময় পরিস্থিতি সফলতার সঙ্গে মোকাবিলা করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অন্য কোনো দপ্তরে দেখা যাবে, এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমিও গুঞ্জন শুনছি।’
















