• Home
  • অর্থ-বাণিজ্য
  • ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হতে বাংলাদেশের পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি খাত
Image

ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হতে বাংলাদেশের পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি খাত

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রতিনিধি দলের বৈঠক

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যে ভিশন রয়েছে, তার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সফররত মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতা ও ইউএস চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি রাষ্ট্রদূত অতুল কেশপ।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।সকাল সাড়ে ৯টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শুরু হওয়া বৈঠকে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন এক্সিলারেট এনার্জির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ কমার্শিয়াল অফিসার অলিভার সিম্পসন এবং ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি ও ইউএস চেম্বার অব কমার্সের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট, রাষ্ট্রদূত (অব.) অতুল কেশপ।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের অতুল কেশপ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী এবং তার সরকারের উষ্ণ অভ্যর্থনায় আমরা সত্যিই আনন্দিত। যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ২৫টি কোম্পানির ৫০ জন ব্যবসায়িক নির্বাহী এই প্রতিনিধি দলে রয়েছেন।

বাংলাদেশে সর্বোচ্চ বিদেশি বিনিয়োগকারী দেশ হতে পেরে মার্কিন কোম্পানিগুলো অত্যন্ত গর্বিত।”বৈঠকের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভিশন আমরা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে শুনেছি।

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হওয়ার যে লক্ষ্য রয়েছে, আমরা তাতে বিশ্বাস করি। আমরা মনে করি, এই দেশের মানুষের যে মেধা ও সম্ভাবনা রয়েছে, তাকে কাজে লাগিয়ে আমেরিকার প্রাইভেট সেক্টর বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সরবরাহের মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হিসেবে কাজ করতে পারে।

সরকারের পক্ষ থেকে অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা পেয়েছেন উল্লেখ করে অতুল কেশপ বলেন, “সামাজিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকগুলো ঠিক রাখার বিষয়ে সরকারের বার্তা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। আমরা এই ইতিবাচক বার্তাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের কোম্পানিগুলো এবং ইউএস চেম্বার অব কমার্সের কাছে পৌঁছে দেব।”

মার্কিন কোম্পানিগুলো গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও রাজস্ব বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে এবং আগামীতেও সরকার ও জনগণের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »