বৈশ্বিক তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানিতে টানা পঞ্চমবারের মতো দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিস্টিক্যাল রিভিউ ২০২৫ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ৩৮ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। একই সময়ে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভিয়েতনামের রপ্তানি ছিল ৩৩ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলার। ফলে বাংলাদেশ প্রায় ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের ব্যবধানে দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে। তবে প্রবৃদ্ধির দিক থেকে ভিয়েতনাম এগিয়ে রয়েছে। বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে মাত্র ০ দশমিক ২১ শতাংশ, যেখানে ভিয়েতনামের প্রবৃদ্ধি ৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ।
বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, চীনের রপ্তানির পরিমাণ এখনও এতটাই বড় যে অন্য দেশগুলো সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। তবে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মধ্যে ব্যবধান তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় প্রতিযোগিতা ক্রমেই বাড়ছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ৩৮ বিলিয়ন ডলার এবং ভিয়েতনামের প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানির পেছনেও কাঁচামালের বড় অংশ চীন থেকে আসে। মূল পার্থক্য তৈরি হয় শ্রম ও উৎপাদন ব্যবস্থাপনায়।
অর্থনীতিবিদ মাহফুজ কবির বলেন, ভিয়েতনাম দ্রুত এগিয়ে আসছে। পাশাপাশি ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং কম্বোডিয়াও বৈশ্বিক বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে। তাই দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রাখতে বাংলাদেশকে উৎপাদনে স্বয়ংক্রিয়তা (অটোমেশন), দক্ষতা বৃদ্ধি, পণ্য বৈচিত্র্য এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।
ডব্লিউটিওর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে এখনও শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে চীন। বাংলাদেশের পর রয়েছে ভিয়েতনাম, এরপর যথাক্রমে তুরস্ক ও ভারত।















