• Home
  • আইন-আদালত
  • একরামুল হত্যায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ সেনা হেফাজতে
Image

একরামুল হত্যায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ সেনা হেফাজতে

কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যা মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে তৎকালীন র‌্যাব-৭-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বর্তমানে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল) মিফতাহ উদ্দিন আহমেদকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইএসপিআরের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল অফিসার্স মেস থেকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদকে সেনা হেফাজতে নিয়ে ঢাকায় আনা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেনাবাহিনীর কাস্টডিতে রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলছে।

জানা গেছে, তিনি বরিশাল সেনানিবাসের স্টেশন কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ঢাকায় আনার পর তাকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে।

২০১৮ সালে কক্সবাজারের টেকনাফে পৌর কাউন্সিলর একরামুল হক নিহত হওয়ার ঘটনায় তৎকালীন র‌্যাব-৭-এর অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্বে থাকা মিফতাহ উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে, ২০২১ সালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যেসব বাংলাদেশি কর্মকর্তার ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, তাদের তালিকায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের পাশাপাশি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদের নামও ছিল।

আইএসপিআর জানিয়েছে, বিষয়টি সম্পূর্ণ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে টেকনাফের কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যা মামলায় অভিযোগ দাখিল করা হয়। ওই মামলায় মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ কয়েকজন পলাতক আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

সূত্র আরও জানায়, ওই গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতেই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্ধারিত তারিখে তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, একরামুল হককে গুলি করে হত্যার সময় ঘটনাস্থলে মিফতাহ উদ্দিন আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »