সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় আলোচনায় আসা সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এ অবস্থায় তার সংসদ সদস্য পদ থাকবে কি না—এমন প্রশ্নে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, শুধু দল থেকে বহিষ্কারের ভিত্তিতে তার এমপি পদ নিয়ে নির্বাচন কমিশন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গণমাধ্যমকে তিনি জানান, কোনো সংসদ সদস্যকে কেবল তার নিজ দল বহিষ্কার করলেই আইন অনুযায়ী সরাসরি তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয় না। বিষয়টিতে আইনগত জটিলতা রয়েছে। এ বিষয়ে যদি জাতীয় সংসদের স্পিকার বা সংসদ কোনো সিদ্ধান্ত বা নির্দেশনা চেয়ে ইসির কাছে আবেদন জানান, তবে নির্বাচন কমিশন উভয় পক্ষের শুনানি গ্রহণ করবে এবং আইনানুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করে বিষয়টি নিষ্পত্তি করবে।
উল্লেখ্য, গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কারের ঘটনা সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামের একটি ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে (ভাইরাল হয়)। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনা ও আলোচনার জন্ম দেয়।
ভিডিওটি ভাইরাল হবার পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করে। দলীয় তদন্তে ঘটনাটি তার ‘নৈতিক স্খলন’ হিসেবে প্রমাণিত হয়। এর ভিত্তিতে ২১ জুলাই দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি সভায় গঠনতন্ত্রের ৬২ ধারা মোতাবেক তাকে দল থেকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে ২২ জুলাই দলের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়। একইসঙ্গে দলটি থেকে জানানো হয়েছে যে, বহিষ্কারের এ বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনকেও (ইসি) অবহিত করা হচ্ছে।












