• Home
  • আইন-আদালত
  • জুলাই আন্দোলন নিয়ে ‘অপপ্রচার’: সোমাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে জিডি
Image

জুলাই আন্দোলন নিয়ে ‘অপপ্রচার’: সোমাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে জিডি

জুলাই আন্দোলন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্য ও ‘অপপ্রচারের’ অভিযোগে সাংবাদিক আনিস আলমগীর, উপস্থাপিকা সোমা ইসলাম, মডেল ও আইনজীবী মডেল জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

শনিবার রাতে রাজধানীর শাহবাগ থানায় ওই অভিযোগ সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসেবে নেওয়া হয়েছে।’রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম’ নামের একটি সংগঠনের সদস্য মিল্লাত হোসেন এ অভিযোগ করেছেন বলে তথ্য দিয়েছেন শাহবাগ থানার ডিউটি অফিসার এসআই মাজিবুল আলম।

তিনি বলেন, ‘‘থানা পুলিশ পরে অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরি হিসেবে গ্রহণ করে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে এসআই আশরাফ আলীকে।’’এ তিনজন ছাড়া অভিযোগ আনা হয়েছে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও কলামিস্ট মোমিন মেহেদী, মডেল মারিয়া কিসপট্টা এবং মডেল ও অভিনেত্রী তুষ্টির বিরুদ্ধে।

থানায় অভিযোগ দেওয়ার সময় ‘রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের’ সদস্য সচিব আ ন ম আয়াস এবং কেন্দ্রীয় সংগঠক মুহাম্মদ শাহ আলম বাদশা ও তুহিন ফরাজী উপস্থিত ছিলেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গ্রেপ্তার হয়ে এখন জামিনে থাকা সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি কারামুক্ত হওয়ার পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে মিলে জুলাই আন্দোলনকে ব্যাহত করতে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছেন’।

সোমা ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বিভিন্ন টকশোতে জুলাই আন্দোলনকে ‘তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা’ করেছেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়ার বিরুদ্ধে সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সুমনের সহযোগী হিসেবে আন্দোলনকারী ও আহতদের ‘কটাক্ষ করার’ অভিযোগ আনা হয়েছে।

মোমিন মেহেদীর বিরুদ্ধে ঢাকা প্রেস ক্লাব এলাকায় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিস্তম্ভে ‘জুতা নিক্ষেপ ও আবু সাঈদকে নিয়ে’ বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

অপরদিকে মারিয়া কিসপট্টা জুলাই আন্দোলনকে ‘সন্ত্রাসী আন্দোলন’ হিসেবে প্রচার করেছেন এবং মডেল তুষ্টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই আন্দোলনকে ‘প্রতারণার মাস’ আখ্যা দিয়ে অপপ্রচার চালিয়েছেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

শাহবাগ থানার ডিউটি অফিসার মাজিবুল বলেন, ‘‘বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সাইবার সংক্রান্ত হওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা এটি পর্যালোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।’’

তিনি বলেন, ‘‘বিষয়টি যেহেতু সাইবার সম্পর্কিত, তাই তদন্তকারী কর্মকর্তা সম্ভবত এটি সাইবার ইউনিটে পাঠাবেন।’’

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »