স্পোর্টস ডেস্ক: হাইতির বিপক্ষে দুইবার পিছিয়ে পড়েও শেষ মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়িয়েছে মরক্কো। শেষ পর্যন্ত রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ৪-২ ব্যবধানে স্বস্তির জয় তুলে নিয়েছে গত আসরের সেমি-ফাইনালিস্টরা। এ জয়ে ‘সি’ গ্রুপ থেকে রানার্স-আপ হয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে আশরাফ হাকিমিরা।
অন্যদিকে দিনের অন্য ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ব্রাজিল। আটলান্টা স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে হাইতি। তাদের চাপে মরক্কোর রক্ষণকে বেশ কয়েকবার বিপদে পড়তে হয়। প্রথমার্ধে দুইবার এগিয়ে গিয়ে ম্যাচে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছিল ক্যারিবীয় দেশটি। তবে আশরাফ হাকিমি ও ইসমাইল সাইবারির গোলের পর শেষ ১২ মিনিটে রাহিমি এগিয়ে দেন দলকে। যোগ করা সময়ের আগমুহূর্তে ইয়াসিন গোল করে জয় নিশ্চিত করেন।
অথচ ম্যাচটা স্মরণীয় করে ফেলার মুহূর্ত তৈরি করেছিল হাইতি। বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের ৮৩তম স্থানে থাকা দলটি দুইবার এগিয়ে গিয়েছিল ম্যাচে। স্কটল্যান্ড ও ব্রাজিলের কাছে হেরে আগেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়া দলটি ম্যাচের ১০ মিনিটে মরক্কোর আত্মঘাতী গোলে লিড নেয়। লেনি জোসেফের ফ্লিক করা শট মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনোর গায়ে লেগে জালে জড়ালে ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে গোলের দেখা পায় ক্যারিবীয় দেশটি।
৩৯ মিনিটে সমতায় ফেরে মরক্কো। ব্রাহিম দিয়াজের শট হাইতির গোলরক্ষক জনি প্লাসিদ পুরোপুরি ঠেকাতে ব্যর্থ হলে ফিরতি বলে গোল করেন আশরাফ হাকিমি। তবে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার দুই মিনিট আগে আবারও এগিয়ে যায় হাইতি। ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া উইলসন ইসিদোরের দুর্দান্ত শট জালে জড়ালে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে হাইতির সমর্থকেরা। কিন্তু এই অর্ধের যোগ করা সময়ে আবার সমতা ফেরায় মরক্কো। হাকিমির পাস থেকে টুর্নামেন্টে নিজের তৃতীয় গোল করেন সাইবারি।

















