গাড়ি ভাংচুর, থানায় মামলা দায়ের
পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার হওয়া চার আসামীকে ছিনিয়ে নেওয়ার পর , হ্যান্ডকাপ সহ পুনরায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারের পর তাদের উপড় ২০/২৫ জনের একটি দল এসে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ওই চারজন আসামীকে ছিনিয়ে নেয়। এসময় হামলাকারিদের ছোঁড়া ইটের আঘাতে ট্রাস্কফোর্সের ৪ সদস্য আহত হয়।
ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্চগড় শের- ই -বাংলা পার্ক সংলগ্ন এলাকায় বৃহষ্পতিবার বিকেল পাঁচটার দিকে। এর আগে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদ হাসানের নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর, পুলিশ ও আনসার ব্যাটালিয়নের মাদক বিরোধী ট্রাস্কফোর্স জেলা শহরের হাজী মাকের্টে একটি পরিত্যক্ত দোকান থেকে মাদক সেবনরত অবস্থায় ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের নিকট ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল সহ মাদক সেবনের সরঞ্জামদি জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারের পর তাদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে শের-ই-বাংলা পার্ক এলাকায় নিয়ে আসা হয়। সেখানে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এসময় হামলাকারিদের ছোড়া ইটের আঘাতে ট্রাস্ক ফোর্সের ৪ সদস্য আহত হন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি সরকারি গাড়ীর গøাস ভেঙ্গে যায়। এ সময় আহত হন সিপাহী ফাহিমুর রহমান, মোসাদ্দেক আলী, তরিকুল ইসলাম, আনসার ব্যাটালিয়নের নায়েব সুবেদার জালাল উদ্দীন।
এমন ঘটনার আসামী পালিয়ে যাওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাৎক্ষনিক ভাবে তল্লাশি শুরু করে। এক পর্যায় তাদের শহরের ট্রাফিক পুলিশ বক্্র কাছ থেকে তাদের পুনরায় গ্রেফতার করা হয়। হ্যন্ডকাপ দুটি কাটা অবস্থায় পাওয়া যায়। রাতে তাদের বিরুদ্ধে সরকারী কাজে বাঁধা ও আসামী ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা দায়ের করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরির্দশক শফিকুল ইসলাম।
মামলার আসামীরা হলেন পঞ্চগড় পৌর যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব দীপু ইসলাম (৩৭) , জেলা শহরের শাহানশাহ (৩৬) একই এলাকার জয়নাল (৪২) এবং জেলা শহরের পুরাতন ক্যাম্প এলাকার হাসিবুল রহমান (২৫)।এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে যুবদল নেতা দীপু ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নষ্ট করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে, আমাকে রাস্তা থেকে অন্যায় ভাবে ধরে আনা হয়েছে।
পঞ্চগড় সদর থানার অফিসমার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সরকারী কাজে বাঁধা প্রদান ও আসামী ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে। এব্যাপারে পুলিশ সুপার মো. আবু সাইম বলেন, আমরা জেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বভাবিক রাখতে কাজ করে যাচ্ছি। বৃহষ্পতিবারের ঘটনায় কাউকে ছাড় নয়। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।














