বিশ্বকাপের আগে স্বস্তিতেই প্রস্তুতি শুরু করল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। শক্তিতে বেশ পিছিয়ে থাকা হন্ডুরাসের বিপক্ষে ২-০ গোলের সহজ জয় পেয়েছে তারা। দলের হয়ে গোল দুটি করেছেন লাউতারো মার্তিনেস ও জিউলিয়ানো সিমেওনে।
ম্যাচের প্রথমার্ধ থেকেই বল দখলে রেখে প্রতিপক্ষকে চেপে ধরে আলবিসেলেস্তেরা। শুরুর দিকেই গোলের সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল তারা। তবে জিওভানি লো চেলসোর দূরপাল্লার শটটি ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে হতাশ হতে হয় দলকে। অবশ্য সেই ধাক্কা সামলে উঠতে বেশি সময় লাগেনি। ফিরতি বল ধরে ডি-বক্সে ঢোকার মুখে ফাউলের শিকার হন নিকোলাস তাগলিয়াফিকো। সঙ্গে সঙ্গেই পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পট কিক থেকে নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান লাউতারো মার্তিনেস। গোলরক্ষক সঠিক দিকে ঝাঁপ দিলেও বলের নাগাল পাননি। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।
বিরতির পর দলে জোড়া পরিবর্তন আনেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। ভালেনতিন বার্কো ও তাগলিয়াফিকোর পরিবর্তে মাঠে নামানো হয় রদ্রিগো দে পল ও ফাকুন্দো মেদিনাকে।
আক্রমণের ধারা বজায় রেখে ম্যাচের দ্বিতীয় গোলটি আদায় করে নেয় আর্জেন্টিনা। এবারও নেপথ্য কারিগর ছিলেন লাউতারো। ডি-বক্সের ভেতর বল পেয়ে দারুণ এক ব্যাক-হিলে তিনি পাস বাড়ান জিউলিয়ানো সিমেওনের উদ্দেশ্যে। সুযোগ হাতছাড়া না করে ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে পাঠান সিমেওনে।
দুই গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর বেঞ্চের শক্তি পরখ করে নিতে মেতে ওঠেন স্কালোনি। একসঙ্গে আরও আটটি পরিবর্তন আনেন তিনি। লিসান্দ্রো মার্তিনেস, থিয়াগো আলমাদা, লো চেলসো ও গোলদাতা লাউতারোকে তুলে মাঠে নামানো হয় ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, এনসো ফের্নান্দেস, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও হোসে মানুয়েল লোপেসকে। এরপর গোলরক্ষক হুয়ান মুসো, এসেকিয়েল পালাসিওস ও সিমেওনের জায়গায় নামেন সান্তিয়াগো বেলত্রান, তোমাস আরান্দা ও নিকোলাস কাপাল্দো। শেষদিকে নিকোলাস ওতামেন্দির বদলি হিসেবে মাঠে আসেন হোয়াকিন ফ্ৰেইতাস।
বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে নামার আগে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে আইসল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।

















