মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, “৮ এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি আরও সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছেন বলে মনে হচ্ছে।”
মঙ্গলবার (২ জুন) মার্কিন সিনেটের পররাষ্ট্র সম্পর্ক কমিটির সামনে সাক্ষ্য দেয়ার সময় রুবিও বলেন, “এমন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে যে মোজতবা খামেনি জীবিত আছেন এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আরও গভীরভাবে জড়িত। যুদ্ধের প্রথম দিনে মার্কিন বিমান হামলায় তার বাবা ও পূর্বসূরি নিহত হওয়ার পর থেকে তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি।” খবর আলজাজিরার।
মার্কিন এই শীর্ষ কূটনীতিক বলেন, “আমি মনে করি, এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে তিনি কোনো না কোনো পর্যায়ে ক্রমবর্ধমানভাবে সম্পৃক্ত হচ্ছেন, যদিও তার সমস্ত যোগাযোগ লিখিতভাবে এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হয়েছে।”
রুবিওর এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে যখন তেহরান যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে একটি মার্কিন প্রস্তাবের সর্বশেষ সংস্করণ পর্যালোচনা করছে, যার শর্তাবলী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আরও কঠোর করেছেন বলে জানা গেছে।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সি দেশটির আলোচনা দলের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, তেহরান এখনও সর্বশেষ প্রস্তাবটি খতিয়ে দেখছে এবং বেশ কয়েকদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি।
ওই কর্মকর্তা জোর দিয়ে বলেন, “যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অসহযোগিতা’ এবং সার্বিক অবিশ্বাসের কারণে ইরান একটি কঠোর অবস্থান গ্রহণ করছে।”











