আন্তর্জাতিক সংবাদদাতা: গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বুধবার সকাল দশটায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় দপ্তর উপ কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি , আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মী Amnesty International ,Uk এর সদস্য ও বিশিষ্ট সাংবাদিক খোন্দকার তারেক রায়হানের গ্রামের বাড়ি ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার পূর্ব সোনাপুর গ্রামের খোন্দকার বাড়িতে বিএনপি জামায়াত শিবির মিলে চতুর্দিক দিয়ে বাড়ি আক্রমণ করে এবং বাড়ির ভিতরে ভাঙচুর করে অনেক মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। তারা বাড়ির অনেক ইট খুলে নিয়ে যায়! বাড়ির অধিকাংশ দরজা জানালা খুলে নিয়ে যায়। ইতিপূর্বে ভাঙচুর এবং হামলার কারণে তার মা বাড়িতে থাকে না , তার মা অন্যত্র লুকিয়ে থাকে। এই কারণে এই সময় তার বাড়িতে তার পরিবারের কাউকে খুঁজে না পেয়ে তার বাড়ির অন্য পরিবারগুলোকে আক্রমণকারীরা বলে গিয়েছেন তারেক রায়হান এবং তার পরিবারকে পাওয়া মাত্র তারা হত্যা করবে।
ইতিপূর্ব ২০২৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি খোন্দকার তারেক রায়হানের গ্রামের বাড়িতে বিএনপি এবং জামায়াত ইসলামের নেতাকর্মীরা ভাঙচুর এবং অগ্নি সংযোগ করেছিল।
তারও পূর্বে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাত্রে খন্দকার তারেক রায়হানের ঢাকার বাসায় আক্রমণ করে মেইন গেইট ভেঙ্গে ফেলে বাসায় বোমা নিক্ষেপ করে।
Amnesty International,UK এর সদস্যদের একটি প্রতিনিধি দল গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সরাসরি বাংলাদেশের ঢাকায় এবং তার গ্রামের বাড়ি ফেনীতে পর্যবেক্ষণ করার সময় খোন্দকার তারেক রায়হানের প্রতিবেশী সাইফুল খন্দকারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বুধবার সকাল দশটায় ফেনী জেলা স্থানীয় ছাত্রদল নেতা আরাফাত হোসেন সহ প্রায় ৫০-৬০ জন লোক বাড়ি ভাঙচুর অংশগ্রহণ করে এবং তারা লুটপাট করে অনেক কিছু নিয়ে যায়। তখন সাইফুল খন্দকার প্রতিনিধি দলকে বলেন ,আমি সরাসরি আরাফাত হোসেনকে দেখেছি। এছাড়া স্থানীয় বিএনপি জামাতের অনেকেই এই হামলায় নেতৃত্ব দেন।
এ সময় তার আরেক প্রতিবেশী খোন্দকার নিজামুল হক বলেন ইতিপূর্বে খন্দকার তারেক রায়হানের বাড়িতে একাধিকবার হামলা, ভাঙচুর এবং লুটপাট করে। তিনি জীবন রক্ষার্থে দেশের বাইরে অবস্থান করছে। তারপরও হামলাকারীদের আক্রমণ এখনো থেমে থাকে নাই। হামলাকারীদের একটাই কথা ভুক্তভোগী খোন্দকার তারেক রায়হানকে এবং তার পরিবারকে পাইলে তারা হত্যা করবে।
ভুক্তভোগীকে বিভিন্ন মাধ্যমে হত্যার হুমকি দেওয়ায় উদ্বিগ্ন:
Amnesty International UK এর অন্যতম সদস্য এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা সাংবাদিক খোন্দকার তারেক রায়হানকে বিভিন্ন মাধ্যমে তাকে এবং তার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেওয়ায় Amnesty international Uk এর ১৩ জন সদস্য গভীর উদ্বিগ্ন। তাঁরা যাচাই বাছাই করে প্রমাণ পেয়েছে খন্দকার তারেক রায়হানের Facebook এর messenger অনেক অনেক হত্যার হুমকি বাংলাদেশ থেকে দেওয়া হয়েছে, হুমকি দাতারা তাঁকে বলেন তাকে এবং তার পরিবারকে বাংলাদেশে পাওয়া মাত্র হত্যা করিবে। এছাড়া তারা জানান বাংলাদেশে তার নামে হত্যা মামলার বিচার চলছে তাকে ফাঁসি দেওয়া হবে।
ইতিমধ্যে তার সাথে অপর মামলার প্রধান আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফাঁসির রায় দেওয়া হয়েছে এবং খন্দকার তারেক রায়হানকে ফাঁসি দেওয়া হবে বলে জানিয়ে দেন।
এই ধরনের কার্যক্রমে Amnesty international Uk এর ১৩ জন সদস্য গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
খোন্দকার তারেক রায়হানের নামে অন্যায় ভাবে হত্যা মামলা দিয়ে বিচার কার্যক্রম করায় তীব্র নিন্দা জানান:
৫ আগস্ট ২০২৪ পরবর্তী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সমগ্র বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের লক্ষ লক্ষ নেতা কর্মীর নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়।
তার মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অনেক হাই প্রোফাইল এবং কেন্দ্রীয় নেতার নামে মিথ্যা হত্যা মামলা দেওয়া হয়।
তার মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা , Amnesty International UK এর সদস্য এবং সাংবাদিক খন্দকার তারেক রায়হানের নামে হত্যা মামলা দেওয়া হয়। হত্যা মামলা দিয়ে শুধু ক্ষান্ত হয় নাই, তার নামে বাংলাদেশ পুলিশ অন্যায় ভাবে আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করে, সেই অভিযোগ পত্রের কারণে বাংলাদেশের আদালতে তার নামে অন্যায় ভাবে হত্যা মামলার বিচার চলছে। ইতিমধ্যে আদালত বাংলাদেশে তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছো, সকল বিমানবন্দরে পাওয়া মাত্র গ্রেফতার করবে। পুলিশ তাকে খোঁজার জন্য সমগ্র বাংলাদেশে রেড এলার্ট জারি করেছে।
অথচ মিথ্যা মামলার ঘটনার দিন সে ১৬০ কিলোমিটার ঢাকায় সাংবাদিকতার কাজে অবস্থান করেছিল। তার একাধিক প্রমাণপত্র রয়েছে।
সরকারি সাংবাদিক Accredited card বাতিল এবং সরকারি বিদ্যুতের পরিচালক থেকে বাদ দেওয়ায় গভীর উদ্বেগ এবং নিন্দা প্রকাশ:
ইতিপূর্বে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় অন্যায় ভাবে শত শত সাংবাদিকের Accreditation card বাতিল করেছেন। তারমধ্যে খন্দকার তারেক রায়হানের Accreditation card বাতিল করায় তাঁরা গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
এছাড়া তাকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের coal power Generation company Bangladesh limited,CPGCBL এর পরিচালক থেকে অন্যায় ভাবে পদত্যাগ করান।
যাতে Amnesty international Uk এর ১৩ জন সদস্য মনে করেন মানবাধিকার ক্ষুন্ন হয়েছে। এ সকল ঘটনায় তাঁরা তীব্র নিন্দা জানান।
খোন্দকার তারেক রায়হানের নামে অন্যায় ভাবে মিথ্যা হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হওয়ায়,একের পর এক তার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর , লুটপাট এবং তাকে হত্যা করার জন্য অনেক অনেক বার হুমকি দেওয়ায়
গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ১৩ জন সদস্যের যৌথ সভার মাধ্যমে Amnesty International, UK এর ১৩ জন সদস্য গভীর উদ্বেগ, প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানান।
নিন্দা জানানো সদস্যরা হলেন:
ডক্টর আনিসুর রহমান, ফজলে রাব্বী স্মরণ, জামাল আহমেদ খান, ডা: নোবেল খান, মুস্তাফিজুর রহমান সোহাগ, মোশাহিদ আলম মুহিম, খালেদ আহমেদ রাজ, ফয়েজ আহমেদ, আবিদ হোসেন, মো :মাসুম বিল্লাহ, শাকিল আহমেদ সোহাগ, ফারদিন আহসান রাফি, সুদীপ্ত শর্মা প্রমূখ।























