ইতালির রোমে কনসার্টে পারফর্ম করতে গিয়ে হোটেল রুম নোংরা রাখার অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েছেন জনপ্রিয় রকশিল্পী ‘নগর বাউল’খ্যাত জেমস। তবে অভিযোগটিকে বড় কোনো বিষয় হিসেবে দেখছেন না তিনি। এক সংবাদ সম্মেলনে সরাসরি বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন এই শিল্পী।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, রোমের একটি কনসার্ট শেষে জেমস ও তার সফরসঙ্গীরা হোটেলের একটি কক্ষ অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় রেখে গেছেন। এ কারণে পরিচ্ছন্নতার জন্য হোটেল কর্তৃপক্ষ তাদের কাছ থেকে ন্যূনতম ২০০ ইউরো জরিমানা দাবি করেছে বলেও বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হয়। পাশাপাশি প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মতো অভিযোগও ছড়িয়ে পড়ে।
তবে জেমসের ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর জানান, যে কক্ষটি নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেখানে জেমস ছিলেন না। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে জেমস বলেন, অভিযোগটি ৫৪৯ নম্বর কক্ষকে ঘিরে। সেখানে তাদের দলের একজন অতিথি গিটারিস্ট ছিলেন।
জেমস বলেন, ওই গিটারিস্ট তরুণ। সাধারণত হোটেলের কর্মীরাই নিয়মিত কক্ষ পরিষ্কার করেন। হয়তো ওইদিন তিনি কক্ষটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখেননি। তবে বিষয়টি বড় করে দেখার মতো নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জেমস আরও বলেন, বিভিন্ন সময় হোটেলের কক্ষে অতিথিদের নানা ধরনের অপরিচ্ছন্নতা তৈরি হয়। কেউ কেউ কক্ষে ধূমপান করেও জরিমানা দেন। সে ক্ষেত্রে ২০০ ইউরো জরিমানাকে বড় কোনো বিষয় হিসেবে দেখছেন না তিনি।
হোটেল ছাড়ার সময় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা হয়নি—এমন অভিযোগের বিষয়েও কথা বলেন জেমসের ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর।
তিনি বলেন, হোটেল থেকে বের হওয়ার সময় কর্তৃপক্ষ সবকিছু দেখেছে এবং তখন তাদের কাছে কোনো অভিযোগ জানানো হয়নি। তারা হোটেল ছেড়ে ভেনিসে চলে যাওয়ার পর আয়োজকদের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ তোলা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেমসকে জড়িয়ে নানা ধরনের তথ্য ছড়িয়ে পড়া নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। এ বিষয়ে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চাইলে জেমস বলেন, বিষয়টি নিয়ে এত বড় করে কিছু করার প্রয়োজন নেই।
তিনি বলেন, কেউ যদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখতে চায়, তাহলে লিখুক। মানুষের স্বাধীনতা আছে। তারা মন খুলে লিখুক—এমন মন্তব্য করে বিষয়টি এড়িয়ে যান জনপ্রিয় এই শিল্পী।


















