শেখ হাসিনাকে ফেরাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় তদন্ত কমিশন গঠন

0
37

নিজস্ব প্রতিবেদক: ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর পিলখানায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদর দফতরে বিজিবি দিবস উপলক্ষে পদক দেওয়া অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে আছেন। হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে এক ধরনের টানাপোড়েন ও বৈরিতা চলছে।

জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় ‘নির্বিচারে হত্যাকাণ্ডের’ অভিযোগে আওয়ামী লীগ সভাপতিসহ নেতাদের বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। ১৮ অক্টোবর এক আদেশে এক মাসের মধ্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি হাসিনা, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও অন্য আসামিদের আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্যে কয়েকজন ট্রাইব্যুনালে তোলা হলেও হাসিনা পলাতক থাকায় তাকে দেশে আনা সম্ভব হয়নি।

আজ পিলখানায় বিজিবি সদর দফতরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ীই তাকে ফেরানো যাবে।

রাজধানীর পিলখানায় ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ৭ সদস্যের তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে।

এ সময় সীমান্তে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সরকারের নীতিগত অবস্থানের কোনো পরিবর্তন আসেনি বলে জানান জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের কোনো অবস্থাতেই প্রবেশ করতে দেব না। যারা অসুস্থ, শুধু তারাই মানবিক দিক বিবেচনায় আশ্রয় পাচ্ছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘পররাষ্ট্র উপদেষ্টা দুই মাসের মধ্যে ৬০ হাজার রোহিঙ্গা প্রবেশের যে কথা বলেছেন, সেটা স্লিপ অব টাং। দুই মাসে নয়, গত দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ৬০ হাজার প্রবেশ করেছে।’

এ সময় কুমিল্লায় মুক্তিযোদ্ধা হেনস্তাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘যারা মুক্তিযোদ্ধাদের হেনস্তা করছে, তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।’

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY