আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হবে না বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নির্বাচনের প্রতিটি ধাপে রাজনৈতিক শরিকদের সঙ্গে আলোচনা করেই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সোমবার (২০ জুলাই) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে রাজনৈতিক শরিক ও মিত্র জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
সরকার গঠনের পর বিগত যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের শীর্ষ নেতাদের সম্মানে এই মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা সভার আয়োজন করেন প্রধানমন্ত্রী। মির্জা ফখরুল বলেন, প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে গত পাঁচ মাসে সব দলের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক সম্ভব হয়নি। এ কারণে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শরিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছে।
তিনি জানান, বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার পরিচালনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরার পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখার আশ্বাস দিয়েছেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, যুগপৎ আন্দোলনের সময় ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যে গৃহীত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শরিক দলগুলোর অংশগ্রহণ কীভাবে হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, যেহেতু নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না, তাই প্রতিটি পর্যায়ে শরিকদের মতামত ও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শরিক ও মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোর প্রথম বড় আনুষ্ঠানিক বৈঠক। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ বৈঠকের মাধ্যমে সরকার ও শরিকদের মধ্যে রাজনৈতিক সমন্বয় আরও জোরদার হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে।













