বিজিবি উত্তর-পশ্চিম রিজিয়ন রংপুর অঞ্চলে এক বছরে প্রায় ৯৫ কোটি টাকার মূল্যের মাদক , অবৈধ পন্য আটক

0
6

মোঃ কামরুল ইসলাম কামু পঞ্চগড় প্রতিনিধি \ সীমান্তের অতন্ত্র প্রহরী বিজিবি ,উত্তর পশ্চিম রিজিয়ন’র আওতায় এক বছরে বিভিন্ন সময় অভিযানে প্রায় ৯৫ কোটি টাকা সম মানের বিভিন্নœ রকম মাদক ও চোরাচালান পণ্য আটক করেছে।

বিজিবি ১৮ ব্যাটালিয়ন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জনগনের আস্থার প্রতীক এই বেসামরিক বাহিনীটি মানব পাচারের সাথে জড়িত এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে। উদ্ধার হয়েছে ৬ পুরুষ , ৫ নারী ও ২ শিশু।

উদ্ধার হয়েছে দেশীও বিদেশী ১৪ টি পিস্তল , বিদেশী ওয়ান শুটার গান ৭টি, ম্যাগাজিন ২৫টি, ৭৫ রাউন্ড গুলি,শিষা গুলি ৫৩৫০টি।মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে, ২৫০৬২ বোতল ফেনসিডিল, বিদেশী মদ ১৭১১১, ইয়াবা ৩০১৯০ পিস, গাঁজা ৬৩ কেজি, ভারতীয় বিভিন্ন নেশাজাতীয় সিরাপ ১০২১৭৯ বোতল, ভারতীয় মেটাডক্্িরন ট্যাবলেট ২৫০৯২৩ পিস, ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ১৮০৩৫৯ পিস এবং ভারতীয় নেশাজাতীয় ইঞ্জেকশন ৪১৭২৬ পিস । পাশাপাশি অন্যান্য নেশাজাতীয় দ্রব্যাদি। পাশাপাশি অন্যান্য চোরাচালানকৃত পণ্য সমূহের মধ্যে রয়েছে নানা রকম প্রসাধনী সামগ্রী, ঔষুধ, খাবার সামগ্রী, শাড়ি, লেহেঙ্গা, প্যান্টের কাপড় ,কম্বল, শাল চাদর, জিরা, ধান,চিনি পেয়াঁজ, াাপেল এবং মোবাইল ফোন।

চোরাইপথে আসা গবাদী পশুর মধ্যে গরু ২২৫৩টি,মহিষ ৫৩৩ টি ও ছাগল ৩৪টি।এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার মধ্যে ইউএসএ ডলার ২৪৬০২ টি, ভারতীয় মদ্রা ৩২৩৯৫৫ রুপি, এবং ইন্দোনেশিয়া মুদ্রা ৩০০০ রুপি উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি রংপুর রিজিয়নেরা আওতায় চারটি সেক্টরের অধীন ১৫টি ব্যাটালিয়ন এবয় একটি বর্ডার গাড হাসপাতাল রয়েছে। দেশের ভাবমুর্ত্তি অক্ষুন্ন রাখা সহ সীমান্তের নিরাপত্তা জোড়দার সহ সকল ধরনের মাদক পাচার ও চোরাচালান রোধ সহ অনৈতিক কার্যকলাপ রোধে সর্বদা দায়িত্ব পালন করছে বিজিবি।

বিজিবি তাদের কাচের পরিধি বাড়িয়ে সীমান্ত সহ নানা এলাকায় স্বাস্থ্য সেবা, মেডিকেল ক্যাম্পেইন, স্কুল ও মাদরাসায় শিক্ষা সামগ্রি প্রদান সহ , আর্থিক অনুদান প্রদান করে আসছে । সামাজিক কর্মকান্ডে তাদের অংশিদারিত্ব মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিজিবিরি কর্মকর্তা জানান , ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিজিবি উত্তর-পশ্চিম রিজিয়ন রংপুরে অধীন সকল ব্যাটালিয়ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া জ্বালানি তেল পাচার প্রতিরোধে তাদের তৎপরতা ছিল দূশ্যমান। তাদের উপড় পবিত্র দায়িত্ব পালনে সর্বদা সচেষ্ট বলে জানান বিজিবির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY