দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকলেও নিজের রাজনৈতিক অবস্থানে অনড় রয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সাবেক এই সংসদ সদস্য সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, দল পরিবর্তনের কোনো ইচ্ছা তার নেই এবং বিপদের সময়েও তিনি আওয়ামী লীগের প্রতিই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তার মতে, একটি বড় রাজনৈতিক শক্তিকে সাময়িকভাবে দমিয়ে রাখা সম্ভব হলেও আজীবন নিষিদ্ধ করে রাখা যায় না।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে দেশের বাইরে থাকা সাকিব সম্প্রতি মুম্বাই থেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। মাগুরা-১ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, “আমার দল পরিবর্তন করার শখ নেই এবং কোনোকালেও ছিলো না। আমি সবসময় নিজের দলের প্রতি অনুগত ছিলাম। আমার পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই।”
আওয়ামী লীগের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ৩৯ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার বলেন, “আজীবন কি কেউ কাউকে নিষিদ্ধ করে রাখতে পারে? এটা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। জোর করে কিছুদিন কাউকে দমিয়ে রাখা সম্ভব হলেও তাতে দেশের বা রাজনীতির কোনো কল্যাণ নেই।”
রাজনীতিতে প্রতিহিংসার সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া জরুরি উল্লেখ করে সাকিব আরও বলেন, “অতীতের ভুলের পুনরাবৃত্তি চলতেই থাকলে এই খেলা শেষ হবে না। কাউকে না কাউকে এই চক্র থামিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। সত্যিকারের গণতন্ত্র মানেই হলো সবাই মাঠে থাকবে এবং মানুষ যাকে পছন্দ করবে তাকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে।”
ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শেষে রাজনীতিতেই থিতু হওয়ার পরিকল্পনা সাকিবের, আর সেখানে তার একমাত্র পছন্দ হিসেবে রয়ে গেছে আওয়ামী লীগই।



