ব্রড গ্রেস লাইন সম্প্রসারণের পর পঞ্চগড়-কক্সবাজার রেল যোগাযোগের চিন্তা করা হবে-
দুই দেশ রাজী হলেই দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর বাংলাবান্ধায় রেল সম্প্রসারন করা হবে- রেলওয়ে মহাপরিচালক
পঞ্চগড় প্রতিনিধি ॥বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মোঃ আফজাল হোসেন পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করেছেন। তিনি ঢাকা থেকে রেল যোগে শুক্রবার সকালে পঞ্চগড় স্টেশনে পৌঁছান। পরে তিনি স্টেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন ১৮টা কোচ আনা হয়েছে। পঞ্চগড় থেকে আমরা আপাতত একটা নতুন ট্রেন চালু করব। এরপরে আরও আমাদের টোটাল ২০০ কোচ আসবে। তো সেগুলা দিয়ে আমরা কিছু নতুন ট্রেন, কিছু রিপ্লেসমেন্টের পরিকল্পনা আছে। পর্যায়ক্রমে কোচগুলো আসতে থাকবে, পর্যায়ক্রমে আমরা এগুলা চালু করব।
পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার রেললাইনের কাজ আসলে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। আমাদের সব লাইন ব্রডগেজে কনভার্শন হয় নাই। ব্রডগেজ কনভার্সন হওয়ার পরেই আমরা তখন চিন্তা করব যে পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার রেল লাইনের যৌক্তিকতা আছে কিনা। সেখানে দেখতে হবে যে এইরকম প্যাসেঞ্জার পাওয়া যাবে কিনা সেটাও দেখার বিষয় আছে। পঞ্চগড় থেকে বাংলাবান্ধা রেললাইন সম্প্রসারণের ব্যাপারে একটা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু‘ সেটা যেহেতু বাংলাবান্ধার পরে ইন্ডিয়ার সাথে কোনো কানেক্টিভিটি নাই। সেজন্য এইটা দিয়ে যে খুব বেনিফিট পাওয়া যাবে, এরকম মনে হয় নাই।
সেটা শুধুমাত্র আমাদের অভ্যন্তরীণ চাহিদা হয়তো পূরণ করবে, কিন্ত‘ যে উদ্দেশ্য ছিল যেটা রিজিওনাল কানেক্টিভিটি, সেটা কিন্তু‘ হবে না যদি বর্ডারের ওইপাশে কোনো রেললাইন এখানে এসে সংযুক্ত না হয়। তাহলে সরাসরি কিন্তু‘ সংযুক্ত হবে না। সেজন্য ওই দিকটা বিবেচনা করে দুই দেশ যদি এগ্রি করে তখনি সম্ভব। আদারওয়াইজ খুব একটা এখানে বেনিফিট হবে না সেজন্য আপাতত এটা স্থগিত রাখা হয়েছে। কখনো এটা যদি দুই দেশ একমত হয়, করতে রাজি হয়, তখন এটা করা হবে।
আমরা দেখতে আসছি যে এখানে লোডিং আনলোডিং যে ফ্যাসিলিটি আছে, সেটা ঠিক আছে কিনা। কি কি চাহিদা আছে। যদি চাহিদা বেশি থাকে, তাহলে আমরা রেললাইন এক্সটেনশন করবো। চাহিদা থাকলে জায়গা থাকলে আমরা একটু বড় করে দিতে পারি, আরও বেশি কোচ যাতে ঢুকাইতে পারে। অথবা পাশে আরেকটা লাইন করে দেওয়া যেতে পারে, যদি চাহিদা থাকে। আমরা সেটা দেখার জন্য আজকে আসছি।


















