• Home
  • দেশ
  • দেবীগঞ্জে প্রকল্পের অর্থ ব্যয়ে অনিয়মের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি
Image

দেবীগঞ্জে প্রকল্পের অর্থ ব্যয়ে অনিয়মের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জের সোনাহার উচ্চ বিদ্যালয়ের সাইকেল গ্যারেজ নিমার্ণে টিআর প্রকল্পের বরাদ্দকৃত এক লাখ ২০ হাজার টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।প্রকল্পের অর্থ ব্যয়, ভাউচার সংরক্ষণ এবং বিদ্যালয় তহবিল থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রফিকুল আলমের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগের সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করে জানা যায়, দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া এমএস স্যানিটারির ১১৬২ নম্বর ভাউচারটি প্রধান শিক্ষক রফিকুল আলমের নিজ হাতে লেখা। ভাউচারটির সত্যতা যাচাই করতে প্রতিষ্ঠানে গেলে মূল ভাউচারের কার্বন কপির স্থানে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি; সেখানে পাতা ফাঁকা রয়েছে।

এদিকে প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। জমা দেওয়া ১০টি ভাউচার পর্যালোচনায় মোট ব্যয়ের পরিমাণ পাওয়া যায় ৯৪ হাজার ১৬১ টাকা। অর্থাৎ হিসাব অনুযায়ী ২৫ হাজার ৮৩৯ টাকা ব্যয় না করেই অবশিষ্ট থাকার কথা।

তবে বরাদ্দের অর্থে ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে প্রজেক্টর কেনার জন্য বিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিল থেকে আরও ১২ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক অশোক কুমার রায় বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বরাদ্দের ঘাটতি থাকায় প্রজেক্টর কেনার জন্য বিদ্যালয় তহবিল থেকে প্রধান শিক্ষককে ১২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়ভাবে অভিযোগ উঠেছে, প্রকল্পের কাজে বিদ্যালয় তহবিল থেকে নেওয়া অর্থ, প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে অব্যয়িত টাকা এবং খোয়া না কেনার অভিযোগ—সব মিলিয়ে প্রায় ৪৭ হাজার টাকার আর্থিক অসঙ্গতি রয়েছে। এ ঘটনায় প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনা ও ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক ও প্রকল্প কমিটির সভাপতি রফিকুল আলমের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সরাসরি সাক্ষাতে কথা বলবেন বলে জানান।দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ওয়ালিফ মন্ডল বলেন, বরাদ্দটি আগের সময়ের হওয়ায় এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানেন না। জানা যায়, তখন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন বাবুল চন্দ্র রায়।

দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজীৎ সাহা বলেন, প্রকল্প কিংবা বিদ্যালয় তহবিলের অর্থ ব্যবহারে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »