নাজিম হাসান,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি: সরকারের ভর্তুকিতে সরবরাহ করা সার যাতে প্রকৃত কৃষকের হাতে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রসিদ।যে জেলাগুলোর পাশে সীমান্ত আছে এবং সীমান্তের ওপারেও চাষাবাদ হয়, ওই এলাকায় চাহিদাটা দেখা যাচ্ছে। তাই সার পাচার ঠেকাতে বিজিবিকে নজরদারি বাড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাজশীর গোদাগাড়ী উপজেলার সরমংলা ইকোপার্কে কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, কোনো অসাধু চক্র যাতে সরকারি সার অপচয় কিংবা দেশের বাইরে পাচার করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়ানো জরুরি। মন্ত্রী বলেন, দেশে ইউরিয়া সারের কোনো সংকট নেই। বছরে প্রায় ২৫ থেকে ২৭ লাখ টন ইউরিয়ার চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সরকার বেশি ভর্তুকি দিয়ে সরবরাহ করে এমন দু-এক ধরনের সারের চাহিদা কোনো কোনো এলাকায় বেশি থাকায় সাময়িক সমস্যা হয়েছে। সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ডিলার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আগে প্রতিটি ইউনিয়নে দুজন করে সার ডিলার ছিলেন। কিন্তু আবাদ বেড়েছে। তাই প্রতিটি ইউনিয়নে আরও একজন করে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাস থেকেই নতুন ডিলারদের মাধ্যমেও সার বিতরণ শুরু হবে। নতুন ডিলারদের জন্য সার বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছে। ফলে আগামী রোপণ মৌসুমে সারের সংকট থাকবে না বলে আমরা আশা করছি। এর আগে রাজশাহীর হরিপুর ইউনিয়নের কসবা এলাকায় কৃষক মোহাম্মদ নাজমুল করিম সুজনের লিচুবাগানে বস্তায় আদা চাষের প্রযুক্তি পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রাজশাহী অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. আজিজুর রহমান, উপপরিচালক মো. মোস্তফা কামাল, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম খান প্রমুখ।














