• Home
  • দেশ
  • পঞ্চগড়ে প্রাণি সম্পদ অফিসের হস্তক্ষেপে অসুস্থ গরুর মাংস মাটিতে পুতে দেওয়া হলো
Image

পঞ্চগড়ে প্রাণি সম্পদ অফিসের হস্তক্ষেপে অসুস্থ গরুর মাংস মাটিতে পুতে দেওয়া হলো

পঞ্চগড় প্রতিনিধি- পঞ্চগড়ে চিকিৎসাধীন অসুস্থ গরুর মাংস প্রাণি সম্পদ হস্তক্ষেপে মাটিতে পুতে দেওয়া হলো।ঘটনাটি ঘঠেছে, পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের খালপাড়া এলাকায়। গরুর মালিক চিকিৎসাধীন ওই গরুরটিকে জবাই করে মাংস বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছিলেন গত সোমবার। এমন খবর পেয়ে জেলা উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নিয়মানুসারে গরুর মাংস পুতে দেয়।মাংসের পরিমান ছিল চারন মন।

জানা যায়, গরু শরীরে ওষুধ প্রয়োগের নির্ধারিত প্রত্যাহারকাল (উইথড্রয়াল পিরিয়ড) শেষ না হওয়ায় এই মাংস মানুষের খাওয়ার উপযোগী ছিল না। জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।এর আগে গত ২৭ অক্টোবর থেকে গরুটি অসুস্থ ছিল এবং জেলা ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে সেটির চিকিৎসা চলছিল।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গরুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এর মালিক ও খামারি সোহেল ইসলাম সেটিকে জবাই করেন। বিষয়টি জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নূরুল ইসলাম ও ডা. মরিয়ম রহমানের নজরে এলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদের অন্যান্য কর্মকর্তাদের স্পটে পাঠান। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর অসুস্থ ও চিকিৎসাধীন পশুর এই মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করে তা নষ্ট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরে এফএসপি হাবিবুর রহমান এবং হাফিজাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ রবিউল ইসলামের উপস্থিতিতে মাংসগুলো গভীর গর্তে পুঁতে ফেলা হয়।গরুর মালিক সোহেল ইসলাম বলেন, গরুটি কয়েক দিন ধরে অসুস্থ ছিল এবং চিকিৎসাধীন ছিল। গত রাতে হঠাৎ অবস্থার অবনতি হলে নিজের খাওয়ার জন্য সেটিকে জবাই করি,তবে বিক্রির কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।

স্থানীয় পশু চিকিৎসক ও এআই টেকনিশিয়ান তফিজুল ইসলাম জানান, গতকাল বিকালেও তিনি গরুটিকে স্যালাইন দিয়ে এসেছিলেন। আজ ভোরে গরুর মালিক তাকে ফোন করলেও জবাইয়ের বিষয়ে কোনো পরামর্শ নেননি।স্থানীয় মাংস বিক্রেতা আব্দুল মালেক বলেন, সকাল ৬টার দিকে আমাকে ফোন করা হয়েছিল। তবে অসুস্থ গরু হওয়ায় আমি তা কিনতে রাজি হইনি। পরে শুনি মালিক নিজেই গরুটি জবাই করেছেন। এরপর আমার লোকজন গিয়ে গরুটির চামড়া ছাড়িয়ে দেন। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নূরুল ইসলাম ও ডা. মরিয়ম রহমান বলেন, চিকিৎসাধীন থাকা এবং অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতেই মাংসটি নষ্ট করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরপর জবাইকৃত গরুর চার মন মাংস মাটিতে পুতেঁ ফেলা হয়।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »