• Home
  • প্রচ্ছদ
  • বাংলাদেশিসহ ৭২১ বিদেশি ফেরত পাঠাল কম্বোডিয়া অবৈধ অভিবাসন
Image

বাংলাদেশিসহ ৭২১ বিদেশি ফেরত পাঠাল কম্বোডিয়া অবৈধ অভিবাসন

অবৈধ অভিবাসন ও আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমন অভিযানে বাংলাদেশিসহ ২০ দেশের ৭২১ জন বিদেশি নাগরিককে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে কম্বোডিয়া। তাদের মধ্যে ৯৫ জন নারী। গত ১১ অক্টোবর থেকে ১০ দিনের মধ্যে তাদের বহিষ্কার করা হয়।

কম্বোডিয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সার সকহার নির্দেশনায় এই বহিষ্কার কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল সক ভিয়াসনা তদন্ত ও প্রক্রিয়াবিষয়ক বিভাগকে বহিষ্কারের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেন।

ফেরত পাঠানো বিদেশি নাগরিকেরা ইন্দোনেশিয়া, চীন, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, ক্যামেরুন, জাপান, ঘানা, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, উগান্ডা, ভারত, মিয়ানমার, ফ্রান্স, লাইবেরিয়া, সুইজারল্যান্ড, উজবেকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।

বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের মধ্যে চীনের ৯০ জন নাগরিক ছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজন নারী। অনলাইন প্রতারণায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিশেষ বিমানে তাদের ফেরত পাঠানো হয়।

এ ছাড়া অনলাইন প্রতারণার কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ইন্দোনেশিয়ার ৩৫৫ জন নাগরিককে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫৪ জন নারী। তাদের টেকো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে বহিষ্কার করা হয়।

বাকি বিদেশি নাগরিকদের আন্তর্জাতিক সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্ট দিয়ে ফেরত পাঠানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষের তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে অবৈধভাবে সীমান্ত পার হওয়া, জাল নথি তৈরি, পাসপোর্ট ছাড়া অবস্থান, চাঁদাবাজি, মুক্তিপণের জন্য অপহরণ, জাল ভিসা বা কিউআর কোড ব্যবহার, মাদক পাচার ও সেবন, অবৈধভাবে কাজ করা এবং অন্যান্য অপরাধ।

কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেতের নির্দেশে অবৈধ অভিবাসন ও অপরাধ দমনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বারবার বলেছেন, অনলাইন প্রতারণা বা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে—এমন অপরাধের ঘাঁটি হিসেবে কম্বোডিয়ার ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।

প্রধানমন্ত্রী অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখা এবং অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের কোনো ছাড় না দিয়ে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছেন। তার মতে, এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও ভাবমূর্তি রক্ষা করা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সার সকহার নির্দেশনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো অনলাইন প্রতারণার চক্র নির্মূল, এসব অপরাধের মূল হোতাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং প্রতারণা বা পাচারের মাধ্যমে এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে বাধ্য করা ব্যক্তিদের উদ্ধারে কাজ করছে। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মুক্ত করে নিরাপদে নিজ দেশে ফেরার ব্যবস্থা করাও এ কার্যক্রমের অংশ।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »