• Home
  • আন্তর্জাতিক
  • নাভি পিল্লাইকে শান্তিতে নোবেল জয়ের পরপরই আইসিসির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
Image

নাভি পিল্লাইকে শান্তিতে নোবেল জয়ের পরপরই আইসিসির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সাবেক বিচারক নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মাথায় আদালতটির ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবারের (৯ অক্টোবর) এই পদক্ষেপে ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সরাসরি কূটনৈতিক সংঘাতের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। খবর রয়টার্সের।

এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘আইনের শাসন এবং আন্তর্জাতিক আইনি ব্যবস্থার মূল ভিত্তির ওপর আঘাত’ বলে আখ্যা দিয়েছে আইসিসি। একই সঙ্গে আদালতকে রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ১২৫টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তারা।

এক বিবৃতিতে আদালত জানায়, ‘আইসিসি একা রুখে দাঁড়াতে পারে না। এর ভবিষ্যৎ এখন প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রগুলোর হাতেও নির্ভর করছে। এটি কেবল একটি প্রতিষ্ঠানকে রক্ষার বিষয় নয়, বরং আইনের শাসনের ওপর প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে সুরক্ষার বিষয়।

রয়টার্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কখনোই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে মার্কিনিদের বিচার করতে দেবেন না। সেই কারণেই আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে যুক্তরাষ্ট্র। আমরা এই স্বৈরাচারী আদালতের সঙ্গে সব লেনদেন নিষিদ্ধ করব, তাদের সম্পদ ও উৎস বন্ধ করব এবং এদের পরিচালনার সক্ষমতা পঙ্গু করে দেব। ’

ছয় মাসের প্রাথমিক ছাড় এবং নির্দিষ্ট কিছু ব্যতিক্রমের সুযোগ রেখে এই নিষেধাজ্ঞার কথা ঘোষণা করেছে মার্কিন অর্থ বিভাগ। এর ফলে টেলিকম, সফটওয়্যার, পেনশন প্রদান এবং বন্দিদের লেনদেনের ক্ষেত্রে সাময়িক ছাড় পাওয়া যাবে।

রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগগুলো সমাধানের জন্য আইসিসি এবং এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সুযোগ দিতেই নিষেধাজ্ঞার কাঠামোটি এভাবে তৈরি করা হয়েছে। তবে দাবি না মানলে এই ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হবে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং আফগানিস্তানে মার্কিন সৈন্যদের কর্মকাণ্ড নিয়ে অতীতে তদন্ত পরিচালনার কারণে আইসিসির কঠোর সমালোচনা করে আসছে ওয়াশিংটন। যদিও আইসিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের তদন্তটি আপাতত তাদের অগ্রাধিকারের তালিকায় পিছিয়ে আছে।

আইসিসির ডেপুটি প্রসিকিউটর নাজহাত শামিম খান রয়টার্সকে বলেন, ‘এই নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আইনের শাসন এবং একটি স্বাধীন বিচার বিভাগীয় প্রতিষ্ঠানের কাজকে ব্যাহত করা। আমাদের সমস্ত পরিস্থিতি, আমাদের তদন্ত এবং বিচার প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবেই অব্যাহত থাকবে। ’

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »