• Home
  • বিনোদন
  • আদালতে আরও পাঁচবার আসব, ন্যায়বিচার নিয়েই এখান থেকে যাব: তিশা
Image

আদালতে আরও পাঁচবার আসব, ন্যায়বিচার নিয়েই এখান থেকে যাব: তিশা

‘আমি আদালতকে অনেক সম্মান করি। আইনের প্রতি আমার যে বিশ্বাস আছে, সেই বিশ্বাস থেকে যদি আদালতে আরো পাঁচবার আসা হয়, আমি আসব। এই মামলায় ন্যায়বিচার নিয়েই আমি এখান থেকে যাব।’—২৮ হাজার টাকার শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে করা মামলায় আদালতে হাজির হয়ে এসব কথা বলেছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে মামলাটির জামিন বর্ধিতের আবেদন ও চার্জগঠন শুনানি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।তানজিন তিশা বলেন, ‘হয়তো অনেকে মনে করেন, কেন আদালতে আসলাম, বারবার আদালতে আসি। আমি আদালতে বারবার আসব।’

তিশার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক জানান, জামিন বর্ধিতের পরবর্তী তারিখ ও চার্জ শুনানির তারিখ আদালত থেকে বিকেলে জানা যাবে।এর আগে গত ১৩ আগস্ট ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তানজিন তিশা। তার আগে গত ১২ জুলাই তাকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়েছিল।

জামিন পাওয়ার পর তানজিন তিশা বলেছিলেন, ২৮ হাজার টাকার একটি শাড়ি আত্মসাতের অভিযোগে তাকে আদালতে আসতে হয়েছে। আইনকে শ্রদ্ধা করেন বলেই আদালতে এসেছেন বলেও জানান তিনি। মামলায় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দেওয়া হয়েছে দাবি করে শাড়ি আত্মসাৎ বা প্রতারণার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেও সেদিন জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে প্রায় ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নিয়েছিলেন তানজিন তিশা। শাড়িটির প্রচারণা ও মূল্য পরিশোধের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ২০২৫ সালে অনলাইন ফ্যাশন পেজটির এডমিন আমিনুল ইসলাম প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে আদালতে মামলাটি করেন।

মামলার পর বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ডিবি পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন আদালত। তদন্ত শেষে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে উল্লেখ করে আদালতে প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। পরে ওই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে গত ১২ জুলাই তাকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন আদালত।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »