‘জয়া আর শারমিন’-এর প্রযোজক আবু শাহেদ ইমন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুরস্কার পাওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। চলচ্চিত্র সমালোচক, নির্মাতা ও দর্শকদের কাছ থেকে উৎসবে পাওয়া উষ্ণ সাড়াকেও তিনি স্বাগত জানান। তার মতে, এই স্বীকৃতি ছবির শিল্পী ও কলাকুশলীদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জন্যও উৎসাহের একটি অর্জন।
ছয় দিনের এই উৎসবে মোট ৩৮টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। এর মধ্যে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রতিযোগিতা বিভাগে ছিল ১৯টি ছবি। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, শ্রীলঙ্কা, ইরান, স্পেন, জার্মানি, কোস্টারিকা, পর্তুগাল, ব্রাজিল, ভেনেজুয়েলা ও উজবেকিস্তানের চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নেয়। পূর্ণদৈর্ঘ্য বিভাগে দ্বিতীয় সেরা ছবির ‘বিমল রায় সিলভার অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে ভারতের অসমিয়া ভাষার ‘রিভার টেলস’। পঙ্কজ বরা পরিচালিত ছবিটি এই পুরস্কার অর্জন করে। একই বিভাগে শ্রীলঙ্কার ‘প্যানট্রাম’ জুরি মেনশন পেয়েছে।
প্রামাণ্যচিত্র বিভাগে ‘মামুন: ইন প্রেইজ অব শ্যাডোজ’ জুরি মেনশন পেলেও সেরা ছবির ‘হরিসাধন দাশগুপ্ত গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে রণজিৎ রায়ের ‘ডলস ডোন্ট ডাই: পুতুলনামা’। দ্বিতীয় সেরা প্রামাণ্যচিত্রের পুরস্কার পেয়েছে দীপ ভূঞার ‘রিভার স্টিল ফ্লোজ’।
লকডাউনের সময়কার প্রেক্ষাপটে নির্মিত ‘জয়া আর শারমিন’ ৮৬ মিনিটের বাংলা ভাষার মনস্তাত্ত্বিক চলচ্চিত্র। এতে অভিনেত্রী জয়া ও তার গৃহকর্মী শারমিনের সম্পর্কের পরিবর্তনের গল্প উঠে এসেছে। জয়া চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান এবং শারমিনের ভূমিকায় রয়েছেন মঞ্চাভিনেত্রী মহসিনা আক্তার।



















