• Home
  • প্রচ্ছদ
  • বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন যুগ যুগ অটুট থাকবে: রিজভী
Image

বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন যুগ যুগ অটুট থাকবে: রিজভী

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আশা প্রকাশ করে বলেছেন, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন যুগ যুগ ধরে অটুট থাকবে।

তিনি বলেন, সম্প্রীতির এই বন্ধন যুগ যুগ ধরে চর্চিত ও লালিত হবে। আমাদের যে জাতীয় দর্শন ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’, সেটাই ধারণ করে।

আজ রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্যদের নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমাদের এই মৃত্তিকার গভীরে আছে আমাদের সম্প্রীতি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, আমাদের ভ্রাতৃত্ব। আমরা একে অপরের সাথে আদান-প্রদানের মাধ্যমে প্রত্যেকেই একটি জাতীয় সত্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘এই জাতীয় সত্তার একটা দার্শনিক রূপ দিয়েছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তা হলো- বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘এই কাঠামোর মধ্যে, এই ডালির মধ্যে, এই একটি পাত্রের মধ্যে প্রতিটি ধর্ম, সম্প্রদায় ও সমস্ত নৃগোষ্ঠী রয়েছে। প্রত্যেকেই এখানে তার আসন পেতে পারে। প্রত্যেকেরই এখানে জায়গা আছে। প্রত্যেকেই গর্ব করে বলতে পারে আমরা বাংলাদেশি।’

তিনি বলেন, আমরা যুগ যুগ ধরে একই সমাজে, একই গ্রামে, একই মহল্লায় বসবাস করেছি। নানা ধরনের শক্তি ও চক্রান্তকারীরা এই অটুট বন্ধন ও ভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধন ধ্বংস করার জন্য নানা প্রচেষ্টা চালায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘সবার মাঝে সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য আমরা হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান, বৌদ্ধসহ বিভিন্ন ধর্ম সম্প্রদায় এবং নৃগোষ্ঠী একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করি এবং আমাদের সম্প্রীতি রক্ষা করি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা একে অপরের পূজা-পার্বণে, ঈদ-মিলাদুন্নবীতে অংশগ্রহণ করি এবং প্রত্যেকেই সেই উৎসবের আনন্দ ভোগ করি।’

রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, আজকে তিনটি ধর্ম সম্প্রদায়ের তিনটি ট্রাস্ট গঠিত হয়েছে— হিন্দু ধর্ম সম্প্রদায়, খ্রিস্টান ধর্ম সম্প্রদায় এবং বৌদ্ধ ধর্ম সম্প্রদায়। এসব ট্রাস্টের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের দেবালয় ও উপাসনালয়গুলো যাতে সমৃদ্ধশালী ও সুন্দরভাবে পরিচালিত হয় এবং পূজারি ও ভক্তরা সেখানে সুন্দরভাবে প্রার্থনা ও আরাধনা করতে পারেন, সে বিষয়টি ট্রাস্ট দেখবে।

ট্রাস্টের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও সদস্যরা স্ব স্ব সম্প্রদায়ের অত্যন্ত যোগ্য ও দক্ষ মানুষ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো দেখবেন, পর্যালোচনা করবেন এবং পরিচালনা করবেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বস্থানীয় মানুষের মধ্যে হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষ রয়েছেন। তারা কেউ ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি নন, তারা বিএনপিতে গোটা জাতির নেতৃত্ব দেন।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »