লতা মন্ডল-সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি ঃ মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখানে সনাতন হিন্দুধর্মের প্রবর্তক ও প্রাণপুরুষ মহাবতার পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন বা শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি হয়েছে। আজ শুক্রবার( ০৪ সেপ্টম্বের) বিকাল ৪টায় সন্তোষপাড়া শ্রী শ্রী গৌরনিতাই মন্দির ও দানিয়াপাড়া শ্রী শ্রী মদন মোহন জিউ মন্দিরের যৌথ উদ্যোগে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব সম্বলীত ধর্মীয় প্লেকার্ড ,সঙ্গীত, ব্যান্ডপার্টিসহ বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ হরে কৃষ্ণ, হরে কৃষ্ণ, সুরধ্বণীতে র্যালিটি সন্তোষপাড়া শ্রী শ্রী গৌরনিতাই মন্দির প্রাঙ্গন থেকে বের করে সিরাজদিখান বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে রশুনিয়া শ্রী শ্রী মদন মোহন মন্দির হয়ে পুনরায় সন্তোষপাড়া শ্রী শ্রী গৌরনিতাই মন্দির প্রাঙ্গনে যেয়ে শেষ হয়।
র্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ গ্রহণ করেন সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুম্পা ঘোষ। উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা সহকারী পুলিশ সুপার আনোয়ার পারভেজ,সিরাজদিখান থানা ওসি মোঃ আলাউদ্দিন, সমরেশ নাথ,তপন দাস,জ্ঞানদীপ ঘোষ, জয়ন্ত ঘোষ,ডাঃ দেবব্রত ঘোষ সমীর,সুনীল পাল,দেবব্রত দাস দেবু প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুম্পা ঘোষ বলেন, অবতার হিসেবে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ প্রেম, সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার ব্রত নিয়ে পৃথিবীতে আবির্ভূত হন। ব্রতী হন অত্যাচারী ও দুর্জনের বিরুদ্ধে শান্তি প্রিয় ভালো মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায়। দুষ্টের দমন করতে একইভাবে যুগে যুগে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পৃথিবীতে আসেন, সত্য ও সুন্দর ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেন- এটাই সনাতন ধর্মালম্বীদের বিশ্বাস।
সিরাজদিখান পূজা উদযাপন পরিষদ সাধারণ সম্পাদক জ্ঞানদীপ ঘোষ-বলেন,দুষ্টের দমন ও সৃষ্টের পালনের জন্য প্রায় ৫ হাজার ২৫২ বছর আগে দ্বাপরযুগে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে এক যুগ সন্ধিক্ষণে বসুদেবের স্ত্রী দেবকীর গর্ভে কংসের কারাগারে আবির্ভূত হন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ। অত্যাচারী কংসের হাত থেকে শান্তি প্রিয় ধর্মপ্রাণ মানুষদের বাঁচাতে ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ধরাধামে আবির্ভূত হন। শুধু সনাতন ধর্ম নয়, জগতের সবার কল্যাণে তিনি কাজ করে গেছেন। পরবর্তীতে অত্যাচারী কংস’কে শ্রীকৃষ্ণ বধ/হত্যা করেন।
পরে সন্তোষপাড়া শ্রী শ্রী গৌরনিতাই মন্দিরে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত সকলের মঙ্গল কামনায় এক সমবেত প্রার্থনা সবার জন্য সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় বিশেষ সমবেত প্রার্থনা করা হয়। এতে পৌরহিত্য করেন পবিত্র গোস্বামী।














