• Home
  • প্রচ্ছদ
  • আগামী ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশ হতে দুই লাখ শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
Image

আগামী ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশ হতে দুই লাখ শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

‘রাজধানীর মূল সড়কে ই-রিকশা আমরা চলতে দেব না’

আগামী ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে প্রায় দুই লাখ শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া। দেশের বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে এই শ্রমিক নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

বাংলাদেশে ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল, সোলার প্যানেলে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ, হালাল ফুড খাতে প্রায় দুই বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ব্যাপারে প্রস্তুতি চলছে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। খুব দ্রুতই এই সকল প্রক্রিয়া শুরু হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়ার বিষয়ে আলোচনা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। প্রায় দুই লাখ শ্রমিক তারা নেবে। এরমধ্যে দশ হাজার শ্রমিক তারা ফ্রিতে নেবে।

বাংলাদেশ থেকে যে জনশক্তি রপ্তানি হবে, সেটি সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে পর্যায়ক্রমে শুরু হবে এবং আগামী ছয় মাসের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ হবে।

আজ রোববার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ান হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহদা বিন ওসমান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সাথে বৈঠক করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও সচিব মো. শহিদুল হাসান।

পরে বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরের বিষয়গুলো নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, এটা আরও এগিয়ে নেওয়ার জন্য আলোচনা হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশের রেজিস্টার্ড শ্রমিক মালয়েশিয়াতে রয়েছে প্রায় আট লাখের মতো। আনরেজিস্টার্ড কিছু রয়েছে। সেগুলো যাতে রেজিস্টার্ড হয়, এ ব্যাপারে আমাদের মন্ত্রী তাকে অনুরোধ জানিয়েছেন। বাংলাদেশের প্রায় ১০,০০০ শিক্ষার্থী মালয়েশিয়াতে পড়াশোনা করে।

মালয়েশিয়ারও প্রায় ১,০০০ শিক্ষার্থী আমাদের দেশের ঢাকা মেডিকেল, ময়মনসিংহ মেডিকেলসহ বিভিন্ন মেডিকেলে পড়াশোনা করে।

রাজধানীর সড়কে ই-রিকশা বা ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মূল সড়কে ই-রিকশা আমরা চলতে দেব না। আটটি জোন করে তাদেরকে অভ্যন্তরীণ রোডগুলোতে চলতে দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এটি তিনটি ভাগে ভাগ থাকবে। আমরা ঢাকা শহরে যে ই-রিকশাগুলোকে লাইসেন্স বা রেজিস্ট্রেশন দেবো তার যাত্রী সংখ্যা হবে দুই এবং চার। ছয় জনের কোনো ভেহিক্যালকে, মানে ই-রিকশাকে আমরা ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনব না। ওটা আমরা নীতিমালাতে বলেছি। দুই, চার, ছয়ের রেজিস্ট্রেশন পাবে গ্রামীণ এলাকায়, জেলা শহরের গ্রামীণ রাস্তাতে চলার জন্য তারা পাবে। সেটা অবশ্যই বুয়েট এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটির সার্টিফাইড ডিজাইন অনুযায়ী যারা তৈরি করবে, তারাই এই রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আসবে।’

নীতিমালা কবে নাগাদ প্রয়োগ হবে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নীতিমালা একদম শেষ পর্যায়ে।

ভেটিংয়ের জন্য এখন আইন মন্ত্রণালয়ে যাবে। ভেটিং হয়ে আসার পরেই আমরা এক সপ্তাহের মধ্যেই বা পরের সপ্তাহেই, যত দ্রুত সম্ভব এটা দিয়ে দেব। আইনের আলোকে এই নীতিমালাটা দিলেই ই-রিকশাগুলি, ইলেকট্রিক রিকশাগুলো একটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে চলে আসবে। ’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে মালয়েশিয়ার সড়কে যে রাবার কার্পেটিং হয় সেই প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশে পলিমার মডিফাই বিটুমিন মানে রাবারাইজড বিটুমিন ব্যবহারে কারিগরি সহায়তা দিতে মালয়শিয়া রাজি হয়েছে। এটা সাধারণত রোড কার্পেটিংয়ের কাজে ব্যবহার হয়। আপনারা জানেন যে মালয়েশিয়ার রাস্তাগুলো—ওখানে কিন্তু প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, কিন্তু তাদের কার্পেটিংয়ের রাস্তা সহজে নষ্ট হয় না। তারা কার্পেটিংয়ের সাথে রাবারটা ইউজ করে।’

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »