গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যা এমন কিছু নয় যা রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আমরা এগুলো সমাধানের চেষ্টা করছি। জ্বালানি সংকট নিরসন করা হবে, তবে এতে সময় লাগবে।’
শনিবার (২২ আগস্ট) ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিআইআই) আয়োজিত ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, রাজস্ব ও মুদ্রানীতি এবং বেসরকারি খাতের প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক সেমিনারে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিনিয়োগ ছাড়া অর্থনীতিতে অর্থবহ কিছু অর্জন করা সম্ভব নয় এবং একটি অনুকূল ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরিতে সরকার ও বেসরকারি খাতকে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘কেবল অর্থমন্ত্রী বা সরকারের একার পক্ষে সব কিছু করা সম্ভব নয়। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
তিনি জানান, ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধানে সরকার কমিটি গঠন করেছে এবং একটি বিশেষায়িত ওয়েবসাইট চালু করেছে। তিনি আরও বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা কোথাও আটকে গেলে সরকার সেই সমস্যা সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ একই সাথে ব্যবসায়ীদের কোনো বাধার সম্মুখীন হলে তা উত্থাপনে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপি সরকারের সফলতার কথা উল্লেখ করে আমির খসরু বলেন, ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি সরকার বারবার কঠিন পরিস্থিতি সফলভাবে কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে।
একই অনুষ্ঠানে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান সরকারি অফিসগুলোতে অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনৈতিক অর্থ লেনদেনের দাবি বন্ধের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড নাগরিক ও ব্যবসায়ীদের ওপর অতিরিক্ত খরচ এবং হয়রানি চাপিয়ে দেয়।
ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘এই হয়রানি জ্বালানি সংকটের মতো নয় যা সমাধান করতে দুই বছর সময় লাগতে পারে। সরকার চাইলে আজই এই ‘হয়রানি ট্যাক্স’ বন্ধ করতে পারে।’













