• Home
  • রাজনীতি
  • তথ্য ফিল্টারিং এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী
Image

তথ্য ফিল্টারিং এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী

বরিশাল প্রতিনিধি: তথ্যের অবাধ প্রবাহের এই সময়ে বস্তুনিষ্ঠ তথ্যকে অপতথ্য ও ভিত্তিহীন তথ্য থেকে আলাদা করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে সরকার ও সাংবাদিকদের যৌথভাবে কাজ করতে হবে।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় বরিশাল সার্কিট হাউস মিলনায়তনে ‘বরিশাল বিভাগের সাংবাদিকদের কল্যাণে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট ও বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সাংবাদিকতার পরিচয়পত্রধারীদের মধ্যে একদল নৈতিক ও পেশাগত মান বজায় রেখে কাজ করছেন, অন্যদিকে আরেকটি অংশ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাংবাদিকতার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন। এ কারণে সাংবাদিকতার একটি সুস্পষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, অপসাংবাদিকতা, ব্ল্যাকমেইলিং এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য নির্ধারণ করা না গেলে রাষ্ট্র ও সমাজ বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাকে যথাযথভাবে সহায়তা করতে পারবে না। তবে এই কাজ শুধু সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়, সাংবাদিকদেরও সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, একটি রাষ্ট্রকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে গণমাধ্যমকে আয়নার মতো ভূমিকা পালন করতে হয়। গণমাধ্যম নিয়মিতভাবে রাষ্ট্রের কর্মকাণ্ড তুলে ধরলে ভুলত্রুটি সংশোধনের সুযোগ তৈরি হয়। তিনি বলেন, সাংবাদিকতা ছাড়া একটি সভ্য সমাজ কল্পনা করা যায় না। এ পেশায় আর্থিকভাবে বিত্তশালী হওয়ার সুযোগ সীমিত হলেও বিবেক, জ্ঞান ও মেধা বিকাশের বড় সুযোগ রয়েছে।

আধুনিক সাংবাদিকতার পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতা ডেটা, ভিডিও ও অডিওভিত্তিক হয়ে উঠেছে। তাই সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাংবাদিকদের প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জন করতে হবে। অন্যথায় পেশাগতভাবে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে বরিশাল বিভাগের তিন জেলার ৩৯ জন সাংবাদিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মোট ১৮ লাখ ২০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে বরিশাল জেলার ২৫ জন, ঝালকাঠির ৬ জন এবং পটুয়াখালীর ৩ জন উপকারভোগী ছিলেন।

বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল বারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য কাওছার হোসেন খন্দকার, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহজাহান সাজু এবং বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আযাদ আলাউদ্দিন।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »