আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ হন্দিু পৌণানকি বিশ্বাসে শিশুদের কল্যানকর্তা, রক্ষাকর্তা দেবী, শিশুর সু-স্বাস্থ্য, র্দীঘায়ু কামনা ও জামাই-মেয়ের মঙ্গল কামনায় উৎসব মূখর পরিবেশে বিশ্বব্যাপীর ন্যায় বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সদরের চড়কতলা হিন্দু পল্লীতে দেবী ষষ্টীর পুজা ও জামাই ষষ্টী অনুষ্ঠতি হয়েছে। প্রতি বছর জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্ল পক্ষের ষষ্ঠী তিথিতে এই উৎসব উদযাপিত হয়ে এসেছে। এবছর জ্যৈষ্ঠ মাস মলো মাস হওয়াতে শুক্ল পক্ষের তিথি আষাঢ় মাসে পরায় হিন্দু পঞ্জিকা অনুয়ায়ী (৫ আষাঢ়, ২০ জুন) শনিবার, চন্দ্র মাসের শুক্ল পক্ষে ষষ্ঠী পুজা ও জামাই ষষ্ঠী অনুষ্ঠিত হয়। এই উৎসবটি বাঙালীর একটি ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিক লৌকিক আচার। খ্রিস্টর্পূব অষ্টম ও নবম শতাব্দীর প্রথম দিক থেকে হিন্দু র্ধমালম্বীরা ষষ্টী পুজা ও জামাই ষষ্টী করে আসছে। প্রথা অনুয়ায়ী পূর্ব পুরুষদের রীতি অনুসারে আজও প্রতি বছরের ন্যায় বিশ্বব্যাপী ও সারাদেশের ন্যায় বগুড়ার আদমদীঘি উপজলো সদরের চড়কতলা হিন্দু পল্লীর প্রায় আড়াই শত সনাতনী পরিবার দেবী ষষ্ঠীর পুজা ও জামাই ষষ্টী উৎসব পালন করনে। এছাড়াও মায়েরা সন্তানদের হাতে হলুদ মাখানো সুতো বেঁধে দেন এবং শাশুড়ীরা ষষ্টী দেবীর পুজা শেষে জামাইদের দীর্ঘায়ু ও সমৃদ্ধি কামনায় জামাইদের কপালে দইয়ের ফোটা, হাতে হলুদ মাখানো সুতো বেঁধে দেয়ার পাশাপাশি জামাইদের জন্য ঐতহ্যিবাহী বাঙালি খাবারের আয়োজন করেন। সব মিলিয়ে হিন্দু র্ধমালম্বীদের ষষ্টী পুজা ও জামাই ষষ্টী এক ঐতিহ্যবহন করে আসছে।
















