• Home
  • বিনোদন
  • গ্রেপ্তার নায়িকা ববির স্বামী, অসংখ্য প্রতারণার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে
Image

গ্রেপ্তার নায়িকা ববির স্বামী, অসংখ্য প্রতারণার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে

রাজধানীর গুলশানের একটি বাসায় বাথরুমে বিশেষ কায়দায় তৈরি ফলস সিলিং থেকে চিত্রনায়িকা ববির স্বামী মির্জা আবুল বাশার মামুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে প্রতারণাসহ নানা অভিযোগে মামলা রয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে গুলশান-২ এর ২৮ নম্বর রোডের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ জানায়, শুক্রবার (১৯ জুন) রাত থেকেই আবুল বাশারের বাসা ঘিরে রাখা হয়।

পরে শনিবার সকালে তল্লাশি চালিয়ে বাথরুমের পেছনে বিশেষভাবে নির্মিত একটি গোপন সিলিংয়ে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তাকে আটক করা হয়।ডিএমপির গুলশান বিভাগের সহকারী কমিশনার (এসি) শাহ মোস্তফা তারিকুজ্জামান বলেন, আবুল বাশারের বিরুদ্ধে অসংখ্য প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগের ভিত্তিতে কয়েকদিন ধরে তাকে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল।তিনি জানান, সর্বশেষ তার বাসায় অবস্থানের তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালায়।

গোপন সিলিংয়ে লুকিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, গুলশানসহ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। গুলশান থানায় দায়ের করা একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

এর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবরে প্রতারণার অভিযোগে আবুল বাশারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি আবারও একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে।

কে এই আবুল বাশার?
পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের পশ্চিম আউলিয়াপুর এলাকার বাসিন্দা মির্জা আবুল বাশার ওরফে মামুন স্থানীয়ভাবে দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত একটি নাম। তিনি নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান বলে পরিচয় দিয়ে থাকেন।

অভিযোগ রয়েছে, জমি বরাদ্দ, চাল ও তেলের ডিলারশিপ, ব্যবসায়িক সুযোগ এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের আশ্বাস দিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি।

ভুক্তভোগীদের দাবি, সেনাবাহিনী, পুলিশ, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তার প্রতারণার শিকার হয়েছেন। অনেকে ভবিষ্যতের আশায় জমিজমা বিক্রি করে কিংবা সঞ্চিত অর্থ তার হাতে তুলে দিয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

এছাড়া রাজধানীর বাড্ডা, খিলক্ষেত, বনানী, ভাটারাসহ বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে প্রতারণার একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, কোরবানির ঈদের আগে তিনি একটি অ্যাগ্রো খামার থেকে আটটি গরু নিয়ে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকার চেক দিলেও সেটি বাউন্স করে বলে অভিযোগ উঠেছে। তার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও অর্থ পরিশোধ না করা ও প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ বলছে, আবুল বাশারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Related Posts

1 Comments Text
  • Gretchen2009 says:
    Your comment is awaiting moderation. This is a preview; your comment will be visible after it has been approved.
    https://shorturl.fm/M0xFB
  • Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    ENGLISH »