• Home
  • দেশ
  • সরকারি নিদের্শনা অমান্য করে পঞ্চগড়ে অটো ইট ভাটায় কাঠ পোড়ানোর অভিযোগ
Image

সরকারি নিদের্শনা অমান্য করে পঞ্চগড়ে অটো ইট ভাটায় কাঠ পোড়ানোর অভিযোগ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি॥ সরকারী নির্দেশনাকে বৃদ্ধাগুলি দেখিয়ে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার সাকোয়া চন্দনবাড়ী এলাকায় অবস্থিত ‘এ এন্ড এ অটো ব্রিকস’ ইটভাটায় কাঠ ও কাঠের গুঁড়া পোড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়লার সংকটের অজুহাতে প্রতি রাতেই ট্রাকে করে আনা কাঠের খড়ি এবং বিপুল পরিমাণ কাঠের গুঁড়া কয়লার সাথে মিশিয়ে চুল্লিতে দেওয়া হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

ঘটনার সত্যতা আংশিক স্বীকার করে প্রতিষ্ঠানের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সবসময় নয়, মাঝে মাঝে কিছু কাঠের খড়ি ব্যবহার করা হয়।”
সরেজমিনে অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভাটার এক কোণে শত শত বস্তা কাঠের গুঁড়া এবং স্তূপ করে রাখা হয়েছে বনের গাছের খড়ি। দিনের বেলা কিছুটা আড়ালে রাখা হলেও গভীর রাত হলেই এসব কাঠ ও গুঁড়া কয়লার বিকল্প হিসেবে চুল্লিতে ঢোকানো হয়। এতে আশপাশের ফসলি জমি, ফলদ গাছপালা এবং জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে। বিশেষ করে রাতের আঁধারে নির্গত বিষাক্ত কালো ধোঁয়া পুরো এলাকার পরিবেশ দূষিত করছে।

এবিষয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) পঞ্চগড় জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম জানান, “ইটভাটায় জ্বালানি কাঠ ব্যবহার পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। বিশেষত এর ক্ষতিকর প্রভাব সরাসরি বয়স্ক ও শিশুদের জীবন হুমকিতে ফেলে দেয়। বন ধ্বংস করে ইটভাটায় জ্বালানি কাঠ পোড়ানো আইনি ভাবে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, যেখানে ৩ বছরের কারাদন্ড ও অর্থদন্ডের বিধান রাখা হয়েছে।” পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত করে এইসব অপকর্মের সাথে জড়িতদের দ্রত শাস্তি আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভীন কে জানান, পরিবেশ ধ্বংস করে এরূপ যেকোনো কিছুর বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন সোচ্চার রয়েছে। এই ইটভাটার বিরুদ্ধে আমরা দ্রত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।”

বোদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রবিউল ইসলাম জানান, সাকোয়া এ এন্ড এ অটো ব্রিকস ইটের কারখানায় কাঠের গুঁড়া ও কাঠের খড়ি বেআইনি ভাবে পোড়ানোর বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। শীঘ্রই এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »